তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঢাকা বোর্ড ২০২৩

সময়ঃ ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট

Question 1

উত্তরঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1 থেকে 100 ন্যানোমিটার আকৃতির কোনো কিছু তৈরি করা এবং ব্যবহার করার প্রযুক্তিকে ন্যানোটেকনোলজি বলে। (#1)

উত্তরঃ ড্রাইভারবিহীন গাড়ি হলো আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটি সফল প্রয়োগ । এ ধরনের গাড়ির সামনের ড্রাইভারের আসনটি খালি থাকে।(#1)

 গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল একা একা ঘুরতে থাকে। গাড়ির ক্যামেরা, লেজার রশ্মির লিডার সিস্টেম এবং রাডার থেকে পাওয়া ডাটা ব্যবহার করে গাড়িটি চালায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স। বর্তমানে উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের গাড়ির চলাচল শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে সহজেই যাতায়াত করা সম্ভব।(#2)

উত্তরঃ উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ (?) চিহ্নিত স্থানের প্রযুক্তিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। (#1)

 জীবদেহে জীনোমকে প্রয়োজন অনুযায়ী সাজিয়ে কিংবা একাধিক জীবের জীনোমকে জোড়া লাগিয়ে নতুন বা প্রাণীর বৈশিষ্ট্যের বাহক হচ্ছে জিন । অন্যদিকে জিনোম হলো জীবের বৈশিষ্ট্যের নকশা বা বিন্যাস। কোনো উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন করতে চাইলে উক্ত উদ্ভিদের জিনোমের কোনো একটি ডিএনএ’র একটি অংশ তাই একটা জিনকে পরিবর্তন করতে হলে ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ’র সেই অংশটুকু কেটে আলাদা করে অন্য কোনো প্রাণী বা ব্যাকটেরিয়া থেকে আরেকটি জিন কেটে এনে সেখানে লাগিয়ে দিতে হয়। এর ফলে একটি নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে কৃষি, চিকিৎসা ও ঔষুধ শিল্পে, গৃহপালিত পশু ও মৎস উন্নয়নে ৷ দুগ্ধজাত দ্রব তৈরিতে, পরিবেশ ব্যাবস্থাপনায়, ফরেনসিক টেস্টের ক্ষেত্রে বাপকভাবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে।

নতুন জীব কোষ সৃষ্টি:

১.জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা জিনোমের কাঙ্ক্ষিত অংশকে অন্য জীবের জিনোমে স্থানান্তরিত করতে পারেন।

২.এটি নতুন জীব কোষ তৈরির অনুমতি দেয় যা প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান নয়।

৩.উদাহরণস্বরূপ, বিজ্ঞানীরা ইনসুলিন উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করেছেন যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।(#2)

হাইব্রিড শস্য:

১.জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন জাতের শস্যের জিন একত্রিত করে হাইব্রিড শস্য তৈরি করতে পারেন।

২.এই হাইব্রিড শস্য উন্নত উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা ধারণ করতে পারে।

৩.উদাহরণস্বরূপ, বিজ্ঞানীরা Bt ধান তৈরি করেছেন যা ধানের বোলকারী পোকামাকড় দ্বারা ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

দুধে আমিষের পরিমাণ বৃদ্ধি:

১.জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা গরুর জিন পরিবর্তন করতে পারেন যাতে তারা বেশি আমিষযুক্ত দুধ উৎপাদন করে।

২.এই প্রযুক্তি দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা দূর করতে ভূমিকা রাখতে পারে।(#3)

উত্তরঃ উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো রোবটিক্স । চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হলো আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ তথা স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রচলিত উৎপাদন ও শিল্প ব্যবস্থার স্বংক্রিয়করণের একটি চলমান প্রক্রিয়া।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হলো আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), স্মার্ট প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ব্যবহার করে প্রচলিত উৎপাদন ও শিল্প ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয়করণের একটি চলমান প্রক্রিয়া। রোবোটিক্স এই বিপ্লবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ । (#1)

 

রোবোটিক্স কীভাবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অবদান রাখে:

১.উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করে: রোবটগুলি উৎপাদন লাইনের বিভিন্ন কাজ, যেমন ধাতু ঢালাই, ঝালাই, এবং সমাবেশ, স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদন করতে পারে। এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং মানবিক ত্রুটি হ্রাস করে।

২.উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ: রোবটগুলি উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে ডেটা সংগ্রহ করতে পারে যা উন্নত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩.মানব-রোবট সহযোগিতা: রোবটগুলি মানুষের সাথে সহযোগিতা করে জটিল কাজগুলি সম্পাদন করতে পারে।

৪.নতুন বাজার তৈরি: রোবোটিক্স নতুন ধরনের পণ্য এবং পরিষেবা তৈরির সুযোগ তৈরি করে।(#2)

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে রোবোটিক্স ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে:

১.আরও সহযোগিতামূলক রোবট: রোবটগুলি মানুষের সাথে নিরাপদে কাজ করতে সক্ষম হতে হবে।

২.আরও বুদ্ধিমান রোবট: রোবটগুলি তাদের পরিবেশ সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে এবং জটিল সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হতে হবে।

৩.আরও বিশেষায়িত রোবট: রোবটগুলি নির্দিষ্ট কাজগুলি সম্পাদনের জন্য আরও ভালভাবে ডিজাইন করা হবে।(#3)

উদাহরণ:

১.চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোবটিক্স: রোবটিক সার্জারি আরও নির্ভুল এবং কম আক্রমণাত্মক।

২.পরিবহন ক্ষেত্রে রোবটিক্স: স্ব-চালিত গাড়ি এবং ড্রোন পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

৩.কৃষিক্ষেত্রে রোবটিক্স: রোবটগুলি ফসল কাটার, বীজ বপন এবং কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে পারে।চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে ব্যবহৃত হবে স্বয়ংক্রিয় মেশিন, অ্যাপস ডিভাইস আর মানুষের বিকল্প হিসেবে রোবট কাজ করবে। এক্ষেত্রে যানবাহন গাড়ির কারখানায় কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে রোবট ব্যবহার করা যাবে। শিল্পক্ষেত্রে জটিল ও বিপজ্জনক কাজগুলো যেমন- ঢালাই, ভারী মালামাল উঠানামা করানো, যন্ত্রাংশ সংযোজন, ওয়েল্ডিং প্রভৃতি কাজ রোবটের মাধ্যমে করানো যায়।

রোবট অতি ক্ষুদ্র মাইক্রোসার্কিটের উপাদান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে পারে, যা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় রোবট ব্যবহার করা হয়। যেমন- রোবট কয়েকশ ফুট দূর থেকে অন্ধকারে আগন্তুককে দেখতে পায় মাইক্রোওয়েভে ভিশনের মাধ্যমে যেকোনো অধাতব দেয়ালের অপর পাশে কি আছে তা দেখতে পায়, গোলাগুলি পরিস্থিতি দেখতে রোবট ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসাক্ষেত্রেও রোবট ব্যবহার করা হয়। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে রোবট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের পরিবর্তে এখন বিভিন্ন মহাকাশ অভিযানে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে যা বিভিন্ন গ্রহে পৌছে তার নানা তথ্য আমাদের দিতে পারছে । এছাড়াও সামরিক ক্ষেত্রে, খনির অভ্যন্তরে কাজ করতে, রান্না করতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে, প্রাত্যহিক বিভিন্ন ঘরের কাজে রোবটের ব্যবহার আছে। রোবটের এ ধরনের ব্যবহার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গতি ত্বরান্বিত করছে। (#4)

Question 2

ডা. জে. সি. দেব নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রার চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য জাপান গিয়েছিলেন। বিশেষ ব্যবস্থায় কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থেকে তিনি এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশে ফিরে এসেছেন। এখন তার কাছে রোগী এলে তিনি বিশেষ কিছু জটিল রোগের অপারেশনে সফলতার সাথে এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকেন।

উত্তরঃ রেখা বা লাইনের সাহায্যে নকশা বা ডিজাইনের কাজ করার জন্য ব্যবহারিক প্রোগ্রাম হলে CAD. (#1)

উত্তরঃ মানুষের আচারণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিই আচরণিক ডেটা বা আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি।(#1)
একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। ফলে এই বৈশিষ্ট্য দ্বারা পরস্পরকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়। যেমন- ১. কন্ঠস্বর যাচাইকরণ ২. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ ৩. কীবোর্ডের টাইপিং গতি যাচাইকরণ।(#2)

উত্তরঃ উদ্দীপকে উল্লিখিত ডাক্তারের প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রযুক্তিটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। (#1)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একধরনের কৃত্রিম পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীদের কাছে উপস্থাপন করা হলে এটিকে বাস্তব পরিবেশ বলে মনে হয়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশ তৈরির জন্য শক্তিশালী কম্পিউটারে সংবেদনশীল গ্রাফিক্স ব্যবহার করতে হয়। সাধারণ গ্রাফিক্স আর ভার্চুয়াল জগতের গ্রাফিক্সের মধ্যে তফাত হলো এখানে শব্দ এবং স্পর্শকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীরা যা দেখে এবং স্পর্শ করে তা বাস্তবের কাছাকাছি বোঝানোর জন্য বিশেষভাবে তৈরি চশমা বা হেলমেট (Head Mountained Display) ছাড়াও অনেক সময় হ্যান্ড গ্লাভস, বুট, স্যুট ব্যবহার করা হয়। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারে গ্রাফিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে দুর থেকে পরিচালনা করার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। একে টেলিপ্রেজেস বলা হয়। এছাড়াও এ পদ্ধতিতে বাস্তবভিত্তিক শব্দও সৃষ্টি করা হয় যাতে মনে হয় শব্দগুলো বিশেষ বিশেষ স্থান হতে উৎসারিত হচ্ছে।(#2)

চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনেক ক্ষেত্রেই আজ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমানে সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণে এমআইএসটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ল্যাপরোস্কোপিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এ পদ্ধতিতে কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে ল্যাপরোস্কোপির পরিচালনার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়। শিক্ষানবিস ডাক্তারগণ এর ফলে অত্যন্ত সহজে ও সুবিধাজনক উপায়ে বাস্তবে অপারেশন থিয়েটারে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।(#3)

উত্তরঃ উদ্দীপকে উল্লিখিত নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় চিকিৎসা পদ্ধতি হলো ক্রায়োসার্জারি। (#1)
এ চিকিৎসা পদ্ধতিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রায়োসার্জারি এক ধরনের কাটা ছেঁড়াবিহীন চিকিৎসা পদ্ধতি। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রার গ্যাস মানব শরীরে প্রয়োগ করে অপ্রত্যাশিত ও অস্বাভাবিক রোগাক্রান্ত টিস্যু/ত্বক কোষ ধ্বংস করার কৌশল হলো ক্রায়োসার্জারি। মানব শরীরের ত্বক উপরিস্থ বিভিন্ন রোগ যেমন আঁচিল, ফুসকুড়ি, প্রদাহ, ক্ষতিকর ক্ষত ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। বিশেষ করে শরীরের অভ্যন্তরস্থ অঙ্গ-প্রতঙ্গ সমূহের রোগ যেমন- ক্যান্সার, ক্ষত, প্রদাহ ইত্যাদিতে আক্রান্ত কোষগুলোর অবস্থান সিমুলেটেড সফটওয়্যার দ্বারা চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।(#2)

পরবর্তীতে আইসিটি যন্ত্রপাতি কোষ/অংশের ক্ষতস্থান শনাক্ত করে অত্যন্ত সুক্ষ্ম সুচযুক্ত নলের মাধ্যমে ক্রায়োজনিক বিভিন্ন গ্যাস আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করা হয়। ক্রায়োসার্জারিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা অনেক বেশি, যেমন আক্রান্ত কোষ বা টিস্যুর অবস্থান নির্ণয়ে এবং সমস্ত কার্যাবলি পর্যবেক্ষণের কাজে সারাক্ষণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়। সেজন্য ক্রায়োসার্জারিতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় অভিজ্ঞ করে তুলতে ডাক্তারদের প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করা হয়। (#3)রোগীর তথ্য চিকিৎসার গবেষণার ফলাফল ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য কম্পিউটার ডেটাবেজ সিস্টেম প্রয়োজন হয়।

উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, ক্রায়োসার্জারি চিকিৎসা পদ্ধতির বেশির ভাগই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভৱ।(#4)

Question 3

‘ক’ কলেজের প্রশাসনিক ভবন, একাডেমিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত ভবনগুলো স্বল্প দূরত্বে অবস্থিত। বর্তমানে প্রতিটি ভবনের কম্পিউটারগুলো নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। অধ্যক্ষ মহোদয় এখন সকল কম্পিউটারকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন ।

উত্তরঃ ব্লু-টুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তাই পিকোনেট। ব্লু-টুথ সিস্টেমের মৌলিক উপাদান হলো পিকোনেট।(#1)

উত্তরঃ

ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই লাভবান হয়ে থাকেন। ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্বল্প খরচে সফটওয়্যার সার্ভিস এবং প্রায় সীমাহীন স্টোরেজ সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। এতে ব্যবহারকারীর অপারেটিং খরচ অনেক কমে যায়।(#1)
আবার সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের সার্ভিস ভাড়া দিয়ে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হতে পারে। তাই ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ের জন্যই লাভজনক ।(#2)

উত্তরঃ

উদ্দীপকে ‘ক’ কলেজটির বর্তমান নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা হলো Local Area Network LAN। এ ব্যবস্থায় অনেক ডিভাইস একসেস পাওয়া যায় এবং রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়। (#1)

‘ক’ কলেজটির বিস্তৃতি ১ কি.মি. এর মধ্যে বিদ্যমান থাকবে বলে ধরে নেওয়া যায়। তাই ব্যবস্থাটি LAN হিসেবে বিবেচনা করা যায়। (#2)  ছোট অফিস-আদালত, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ ক্যাম্পাস কিংবা একটি বিল্ডিং বা স্বল্প দূরত্বে অবস্থিত কয়েকটি ভবনে স্থাপিত অসংখ্য কম্পিউটারের মধ্যে এ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN তারের মাধ্যমে, তারবিহীন বা উভয়ের সংমিশ্রণে তৈরি করা যায় ।(#3)

উত্তরঃ

উদ্দীপকের “ক’ কলেজের ভবনসমূহ পরস্পর থেকে স্বল্প দূরত্বে অবস্থিত। কলেজটির আন্তঃভবন দুরত্ব বিবেচনায় কলেজের সকল কম্পিউটারসমূহের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে অভিন্ন নেটওয়ার্ক স্থাপনে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল ব্যবহার করা সব থেকে বেশি যুক্তিযুক্ত হবে।(#1)

নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো:

কলেজটির নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা হলে| LAN এ নেটওয়ার্কে তার মাধ্যম হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল ব্যবহৃত হয়। এ তার মাধ্যমগুলোর মধ্যে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল সবচেয়ে সস্তা।(#2)  স্বল্প দূরত্বে নেটওয়ার্কিং-এর জন্য টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া সহজে স্থাপন এবং মেরামতও করা যায়। অন্যদিকে কো- অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল ও ফাইবার অপটিক ক্যাবলের দাম ও স্থাপন খরচ বেশি হওয়ায় এ তার দিয়ে অধ্যক্ষ মহোদয়ের পরিকল্পন পূরণ হবেনা(#3) । সুতরাং কলেজটির স্বল্পদূরত্বে অবস্থিত ভবনগুলোর মাঝে কম খরচে অভিন্ন নেটওয়ার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল সবচেয়ে উত্তম।(#4)

Question 4

উত্তরঃপ্রাপক কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত মডেম কর্তৃক অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াই হলো ডি-মডুলেশন। (#1)

উত্তরঃ

মালিকানার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ও

২. পাবলিক নেটওয়ার্ক। (#1)

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক: যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাই প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। পাবলিক নেটওয়ার্ক: যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকেনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে।(#2)

উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র-১ এর নেটওয়ার্ক টপোলজিটি হলো বাস টপোলজি। (#1)

যে টপোলজিতে একটি সংযোগ লাইনের সাথে সব ধরনের নোড অর্থাৎ কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি বা ডিভাইস ইত্যাদি যুক্ত থাকে তাই বাস টপোলজি। এতে প্রধান সংযোগ লাইনের দু’প্রান্তে দু’টি টার্মিনেটর থাকে। এই প্রধান সংযোগ লাইনকে বাস বলা হয়। (#2) নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোড স্বতন্ত্রভাবে বাসে সংযুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহ ব্যবস্থা হয় দ্বিমুখী। ডেটা পাঠানোর প্রয়োজন হলে প্রেরক কম্পিউটার এ লাইনে ডেটা পাঠিয়ে দেয়। প্রেরিত ডেটার সাথে প্রাপক কে হবে সে তথ্যও থাকে। বাসের সাথে যুক্ত অন্যান্য প্রতিটি কম্পিউটার বাসে প্রবাহিত ডেটা পরীক্ষা করে দেখে । শুধুমাত্র প্রাপক কম্পিউটারই ডেটা গ্রহণ করে, অন্যরা এই ডেটা গ্রহণ থেকে বিরত থাকে। কম তার এবং সরল সংগঠনের কারণে বাস টপোলজি ইনস্টলেশন সহজ ও সাশ্রয়ী। এক্ষেত্রে কোনো কম্পিউটার বিচ্ছিন্নকরণ বা নষ্ট হলেও সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে না। কম্পিউটার ল্যাবে স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য বাস টপোলজি উত্তম। (#3)

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-১ হলো বাস টপোলজি এবং চিত্র-২ হলো স্টার টপোলজি। বাস ও স্টার টপোলজির মধ্যে বাস টপোলজি অধিক সুবিধাজনক । (#1)

নিচে তা বর্ণনা করা হলো-

বাস টপোলজিতে একটি মূল তারের সাথে সবকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে। যার প্রধান ক্যাবলটিকে ব্যাকবোন বলে। এ টপোলজি ছোট আকারের নেটওয়ার্কে ব্যবহার খুব সহজ, সাশ্রয়ী ও বিশ্বস্ত। এ টপোলজিতে সবচেয়ে কম ক্যাবল প্রয়োজন হয়। ফলে খরচও সাশ্রয় হয়। প্রয়োজনে রিপিটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের ব্যাকবোন সম্প্রসারণ করা যায়। এ সংগঠনে কোনো কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায় না। এ সংগঠনে কোনো কম্পিউটার বা যন্ত্রপাতি যোগ করলে বা সরিয়ে নিলে পুরো নেটওয়ার্কের কার্যক্রম ব্যাহত হয়না। (#2)

অপরদিকে স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করা হয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকা হাবে কোনো প্রকার সমস্যা হলে তা পুরো নেটওয়ার্ককে অকেজো করে দেয় এবং স্টার টপোলজিতে পরিমাণে বেশি ক্যাবল ব্যবহৃত হয় বিধায় এটি একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। (#3)

সুতরাং উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায় যে, উদ্দীপকের টপোলোজিদ্বয়ের মধ্যে বাস টপোলজি অধিক সুবিধাজনক। (#4)

Question 5

3+6+9+….+n

উত্তরঃ যেসব মেমোরির ডেটা কম্পিউটার বন্ধ করলে হারিয়ে যায়, সেগুলোকে বলে অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি বলে। (#1)

 

উত্তরঃ

সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, বেশ কিছু বিল্ট-ইন ফাংশন রয়েছে যা স্টান্ডার্ড লাইব্রেরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। C-তে কিছু সাধারণভাবে ব্যবহৃত বিল্ট-ইন ফাংশনগুলির মধ্যে রয়েছে- ইনপুট/আউটপুট ফাংশন :

Printf() : কনসোলে ফরম্যাট করা আউটপুট প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়।

Scanf() : কনসোল থেকে ফরম্যাট করা ইনপুট পড়তে ব্যবহৃত হয় । ⇒ (#1)

Math ফাংশন:

Sqrt() : একটি সংখ্যার ধনাত্মক বর্গমূল গণনা করতে ব্যবহৃত হয়।

Pow() : একটি সংখ্যার পাওয়ার গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। → (#2)

উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত সিরিজটির প্রবাহচিত্র তৈরি  নিম্নরূপঃ

উত্তরঃ

Do-while লুপ দ্বারা উদ্দীপকের সিরিজটির যোগফল নির্ণয় করার জন্য সি ভাষায় একটি প্রোগ্রাম নিচে লিখা হলো:

#include

int main()

}

                int n,s=0,i=3;

               printf(“Enter the value of n:”);

               scanf(“%d”,&n);

}

do

{

             s=s+i;

             i=i+3; 

}

while(i<=n);

printf(“Sum of the series: %d\n”,s);

return 0;

}

এখানে,

int main(){} পর্যন্ত লিখলে (#1)

{ int n,s=0,i=3;

printf(“Enter the value of n:”);

scanf(“%d”,&n);} এই কোড পর্যন্ত লিখলে ⇒(#2)

do

{…}

while(…);

do while loop কোড লিখলে (#3)

printf(“Sum of the series: %d\n”,s);

return 0; এই কোড লিখলে (#4)

Question 6

রনি এবং জনি এবারের একুশের বইমেলা থেকে যথাক্রমে  এবং  টাকার বই কিনেছিল।

উত্তরঃ

ASCII একটি বহুল প্রচলিত 7 বিট কোড। ASCII এর পূর্ণনাম American Standard Code for Information Interchange. (#1)

উত্তরঃ

ডিকোডারের মাধ্যমে কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তর করা সম্ভব। ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রুপান্তরিত করে।(#1)

ডিকোডার একটি বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র।এর মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যাকে সমতুল্য দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা, বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা, ASCII ও EBCDIC কোডকে আলফানিউমেরিক কোডে রূপান্তর করা সহ নানারকম ডিকোডিং এর কাজ করা যায়।(#2)

Pow() : একটি সংখ্যার পাওয়ার গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। → (#2)

উত্তরঃ

যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে।তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ উদ্দীপকের দুইজনের তুলনায় রনি (48)10 বা (110000)2 টাকা বেশি দামের বই কিনেছিল।

উত্তরঃ

”গ” হতে পাই ,

জনির খরচ =(10110110)2 = (182)10

রনির খরচ = (346)8 = (230)10
(230)10 =(?)2

যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে।তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ উদ্দীপকের দুইজনের তুলনায় রনি (48)10 বা (110000)2 টাকা বেশি দামের বই কিনেছিল।

Question 7

উত্তরঃ

কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট এবং যা ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে ।(#1)

উত্তরঃ

বিসিডি ও বাইনারি কোড এক নয়- নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো- (#1)

১. বাইনারি কোড একটি সংখ্যা পদ্ধতি। কিন্তু বিসিডি কোড কোনো সংখ্যা পদ্ধতি নয়।

২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবলমাত্র দুটি (0, 1) সংখ্যা ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে BCD দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।

৩. কোনো সংখ্যাকে বাইনারিতে প্রকাশের জন্য কম বিট লাগে কিন্তু কোনো সংখ্যাকে বিসিডি কোডে প্রকাশের জন্য বেশি বিট লাগে। (#2)

উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত লজিক ফাংশনটির সত্যক সারণি নিম্নরূপ-

Question 8

উত্তরঃ

কাগজে কলমে করা ওয়েব পেজের লে-আউটকে ওয়ার ফ্রেম বলে। (#1)

 

উত্তরঃ

HTML ডকুমেন্টের প্রথম লাইনে <!DOCTY PE html > লেখা হয় যাকে ডকুমেন্ট টাইপ ডিক্লেরেশন বলে। (#1)

এর দ্বারা ব্রাউজার বুঝতে পারে ডকুমেন্টটি HTML 5 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে লেখা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী রেন্ডার প্রদর্শন করে। এজন্যই এটি ডকুমেন্টের অংশ নয়, তবে ডকুমেন্ট টাইপ ডিক্লারেশনের জন্য লেখা জরুরি। (#2)

উত্তরঃ

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এর মতো ওয়েবপেইজ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় HTML কোড নিচে লিখা হলো :

!DOCTYPE html>

<html>

<body>

<table border=”1″>

<tr>

<th colspan=”2″>A & H Company Ltd</th>

</tr>

<tr>

<td align=”center”>Order List</td> <td align=”center”>Unorder List</td> </tr> <tr>

<td>

<ol type=”i”>

<li>Book</li>

<li>Paper</li>

<li>Note Book</li>

</ol>

</td>

<td>

<ul type=”square”>

<li>Marker</li>

<li>Ink</li>

<li>Pencil</li>

</ul>

</td>

</tr>

</table>

</body>

</html>

 

মার্ক নীতিমালা :

(<_html>….</html> <body>…</body> লিখার জন্য মার্ক (#1) )

(<_table>, <_tr>… এর ট্যাগ উত্তরে সঠিক লিখলে সবমিলে মার্ক (#2))

(<_td> ১ম ও ২য় এর কোডের জন্য সব মিলে মার্ক (#3))

উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-২ এর ওয়েবসাইট কাঠামোটি হলো হায়রারকিক্যাল বা ট্রি কাঠামো এবং দৃশ্যকল্প-৩ এর ওয়েবসাইট কাঠামোটি হলো নেটওয়ার্ক কাঠামো। (#1)

এ দুটি কাঠামোর মধ্যে নেটওয়ার্ক কাঠামো অধিক সুবিধাজনক বলে আমি মনে করি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

যে ধরনের ওয়েবসাইট কাঠামোতে সবগুলো পেজেরই একে অপরের সাথে লিংক থাকে তাকে নেটওয়ার্ক কাঠামো বলে।

(#2)এ কাঠামোতে প্রত্যেক পেইজের একে অপরের সাথে লিংক থাকে। তাই বড় ধরনের ওয়েবসাইট তৈরিতে এ কাঠামো বেশ জনপ্রিয় এবং কার্যকর। এটি নন লিনিয়ার এবং তুলনামূলক জটিল স্ট্রাকচার হলেও ব্যবহারের দিক থেকে এ কাঠামো সহজ হয়।

অপরদিকে, যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি কাঠামো বলা হয়।(#3)

এটি হোমপেজ নির্ভর ওয়েব কাঠামো ট্রি কাঠামোতে হোমপেজে মেনু, সাব-মেনু ও অন্যান্য পেইজে লিংক থাকে । তাই এক পেইজ থেকে অন্য পেইজে সরাসরি যাওয়া যায় না। প্রত্যেক বার এক পেইজ থেকে অন্য পেইজে যাওয়ার জন্য হোম পেইজে যেতে হয়।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কাঠামো দুটির মধ্যে নেটওয়ার্ক কাঠামো অধিক সুবিধাজনক।(#4)

 

error: