তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায় -৩
Question 1- (ঢাকা বোর্ড-২০২৪)
ইমন বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখল বাংলা, ইংরেজি ও ICT বিষয়ে সে যথাক্রমে (5C)16 , (123) 8 , (77)10 নম্বর পেয়েছে।
উত্তরঃ
যে সকল গেইটের সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ অন্যান্য সকল প্রকার গেইট তৈরি করা বা বাস্তবায়ন করা যায় সেই সমস্ত গেইটকে সার্বজনীনন বা Universal গেইট বলে।
উত্তরঃ
১৭ এর পরের সংখ্যা ২০। এটি প্রমাণ করার জন্য (17)8 কে প্রথমে ডেসিমেলে রূপান্তর করতে হবে,
Question 2- (ঢাকা বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
ASCII -এর পূর্ণরূপ হলো– American Standard Code for Information Interchange, যা বহুল প্রচলিত আলফানিউমেরিক কোড।
উত্তরঃ
বিয়োগের কাজ যোগের মাধ্যমে করা সম্ভব ২ এর পরিপূরক পদ্ধতি ব্যবহার করে। বাইনারি সংখ্যার ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করলে ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে যেকোনো ঋণাত্মক সংখ্যার ২ এর পরিপূরক তৈরি করে সমকক্ষ ৮টি বাইনারি সংখ্যার সমান করতে হবে। অতঃপর সংখ্যাদ্বয়ের চূড়ান্ত অবস্থা যোগ করে ফলাফল নির্ণয় করা হয়। তবে চিহ্ন বিট ১ হলে ফলাফল ২ এর পরিপূরক গঠনে থাকে।
উত্তরঃ
উদ্দীপকে প্রদত্ত লজিক ফাংশনটি হলো,
লজিক ফাংশনটির সত্যক সারণি নি¤েœর দেওয়া হলো–
উত্তরঃ
উদ্দীপকের লজিক ফাংশনটি হলো,
উক্ত ফাংশনের লজিক বর্তনী নি¤œরূপ:
উক্ত ফাংশনের সার্কিট অঙ্কনের জন্য প্রয়োজন হবে নট গেইট ২টি, অর গেইট ৩টি এবং অ্যান্ড গেইট ১টি সহ মোট ৬টি গেইট |এখন, Y কে সরলীকরণ করে পাই,
Y=(A+B)(A+B ̅ )(A ̅+C)
=(A.A+AB+AB ̅+B.B ̅ )(A ̅+C)
=(A+AB+AB ̅ )(A ̅+C)
=A(1+B+B ̅ )(A ̅+C)
=A.1.(A ̅+C)
=A.A ̅+AC
=AC
লজিক ফাংশনটি সরলীকরণ করার ফলে ফাংশনটি ছোট আকার ধারণ করেছে। সরলীকরণ করার পূর্বে ফাংশনের আকার বড় হওয়ায় লজিক বর্তনীও বড় ছিল। অতএব, সরল করার ফলে বর্তনীটি ছোট হয়ে এসেছে এবং তা বাস্তবায়ন সহজ হয়েছে। সরলীকৃত ফাংশনটির বর্তনী নি¤œরূপ–
Question 3- (ময়মনসিংহ বোর্ড-২০২৪)
P=(66)10 এবং Q=(2B)16
উত্তরঃ
যে পয়েন্ট দিয়ে কোনো সংখ্যাকে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ এই দুভাগে বিভক্ত করা হয় তাকে Radix point (র্যাডিক্স পয়েন্ট) বলা হয়।
উত্তরঃ
NAND গেইট হলো সার্বজনীন গেইট। সার্বজনীন গেইট দিয়ে যেকোনো গেইট তৈরি করা যায়।
OR গেইট এর ক্ষেত্রে আমরা জানি,সার্কিটটি নিম্নরূপ:
Question 4- (ময়মনসিংহ বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
মৌলিক উপপাদ্য হলো বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মৌলিক ক্রিয়াগুলো সম্পাদনের জন্য তৈরি করা এক চলকবিশিষ্ট উপপাদ্য।
উত্তরঃ
কোনো বুলিয়ান চলকের মান এক বা একাধিক স্বাধীন চলকের উপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল চলককে বুলিয়ান চলক বলা হয়। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যে রাশির মান পরিবর্তনশীল তাকে বুলিয়ান চলক বলে। চলকের মান ০ অথবা ১ হতে পারে। অন্যদিকে প্রোগ্রামিং চলক বলতে এমন কোনো মানকে বোঝানো হয় যা প্রোগ্রামে চালু করার পর পরিবর্তন করা যায়। সি-প্রোগ্রামিং-এ প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় যো সকল মান ব্যবহারকারী প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করতে পারে তাকে প্রোগ্রামিং চলক বলে। তাই বলা যায় যে বুলিয়ান চলক ও প্রোগ্রামিং চলক এক নয়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের A1 দ্বারা নির্দেশিত ডিভাইসটির দুটি ইনপুট এবং দুটি আউটপুট আছে। সুতরাং এটি একটি হাফ অ্যাডার। হাফ অ্যাডার এর ক্ষেত্রে আমরা জানি,নর গেইট দিয়ে উপরোক্ত ফাংশনের সার্কিট নি¤œরূপ:
Question 5- (ময়মনসিংহ বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
ব্লুটুথ হলো 2.4 GHz ফ্রিকুয়েন্সির ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি যা ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে কাজ করে।
উত্তরঃ
রাউটার এবং গেটওয়ের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, উভয়ই তাদের নিজস্ব ক্ষেত্রে অপরিহার্য এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহারযোগ্য। তবে এদের মধ্যে গেটওয়ে সাধারণত বেশি সুবিধাজনক। কারণ এটি বিভিন্ন প্রোটোকল, নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার এবং ডেটা ফরম্যাটের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা এবং পরিবেশ অনুযায়ী গেটওয়ে ডিভাইস সুবিধাজনক।
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি হলো এনকোডার। যদি n=2 ধরা হয়, তাহলে ইনপুট হবে 22=4 টি এবং আউটপুট সংখ্যা হবে ২টি। সুতরাং, এটি 4 থেকে 2 লাইন এনকোডারকে নির্দেশ করে। নিচে 4 থেকে 2 লাইন এনকোডারের বর্ণনা দেওয়া হলো:
4 থেকে 2 লাইন এনকোডার: একটি 22 থেকে 2 লাইন বা 8 থেকে 2 লাইন এনকোডারে 4টি ইনপুট থেকে 2টি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। 4 থেকে 2 লাইন এনকোডারের সত্যক সারণি দেওয়া নিম্নরূপ-
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্রটি n=2 ধরে ইনপুটকে আউটপুট এবং আউটপুটকে ইনপুট বিবেচনায় নিলে ২ থেকে ৪ লাইন ডিকোডার পাওয়া যাবে। নি¤েœ 2 থেকে 4 লাইন ডিকোডার NOR গেইট দিয়ে বাস্তবায়ন করে দেখানো হলো:
2 থেকে 4 লাইন ডিকোডার: 2 থেকে 22 ডিকোডার বা 2 থেকে 4 লাইন ডিকোডারে দুইটি ইনপুট লাইন থেকে চারটি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। 2 থেকে 4 লাইন ডিকোডারের সত্যক সারণি দেওয়া নিম্নরূপ–
Question 6- (রাজশাহী বোর্ড-২০২৪ )
উত্তরঃ
কোড হলো কোনো বর্ণ, অক্ষর, শব্দ বা চিহ্নকে অদ্বিতীয় হিসেবে বাইনারিতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত P ও Q এর মানকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হলো-
উত্তরঃ
২’এর পরিপূরকের সাহায্যে উদ্দীপকের P-Q গাণিতিক প্রক্রিয়াটি যোগের মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব। যোগের মাধ্যমে দুটি সংখ্যার পার্থক্য নির্ণয়ের পদ্ধতির নাম হলো ২’এর পরিপূরক। কোনো বাইনারি সংখ্যার বিটগুলো উল্টিয়ে অর্থাৎ 1-এর স্থলে ০ এবং ০ এর স্থলে 1 দ্বারা প্রতিস্থপান সংখ্যাটির ১’এর পরিপূরক পাওয়া যায়। আর কোনাে বাইনারি সংখ্যা 1’এর পরিপূরকের সাথে 1 যোগ করলে ২’এর পরিপূরক বা 2’s Complement পাওয়া যায়।
২’এর পরিপূরকের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো সংখ্যাকে বিপরীতকরণ বা নেগেশন করা। বিপরীতকরণ বা নিগেশনের ফলে কোনো সংখ্যার মানের পরিবর্তন হয় না কিন্তু চিহ্নের পরিবর্তন হয়। তাই ২’এর পরিপূরকের সাহায্যে বিয়োগের কাজ সম্পাদন করা হয় যোগের মাধ্যমে। নিচে ২’এর পরিপূরকের সাহায্যে (P-Q) প্রক্রিয়াটি যোগের মাধ্যমে নির্ণয় করে দেখানো হলো:
Question 7- (রাজশাহী বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
যে টেবিল বা সারণির মাধ্যমে বিভিন্ন গেইটের কার্যনীতি প্রকাশ করা হয় তাকে সত্যক সারণি বলে।
উত্তরঃ
বুলিয়ান উপপাদ্য ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের বুলিয়ান অ্যালজেবরার সমীকরণ নির্ণয় করা যায়।
A(A+A)
=A.A+A.A
=A+A [A.A=A]
=A [A+A=A]
সুতরাং, A(A+A)=A
Question 8- (দিনাজপুর বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মৌলিক কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য যে ইলেকট্রনিক বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাই লজিক গেইট।
উত্তরঃ
18 সংখ্যাটি অক্টাল হতে পারে না। কারণ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয়। প্রতীকগুলো হলো-0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 8 ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং, 18 সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা নয়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত (৭৫৫)১০ সংখ্যাটিকে কম্পিউটারের বোধগম্য সংখ্যা অর্থাৎ বাইনারি পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হলো–
উত্তরঃ
উদ্দীপকে বর্ণিত সংখ্যা পদ্ধতিটি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য দুইটি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক বা অঙ্ক হলো ০ এবং ১। নিচে কম্পিউটার ডিজাইনে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারের কারণ বিশ্লেষণ করা হলো-
কম্পিউটার কাজ করে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে। অর্থাৎ ডিজিটাল সিগন্যালে ০ কে OFF এবং ১ কে ON হিসেবে বিবেচনা করলে সহজে বোঝা যায় বিধায় ডিজিটাল ডিভাইস ও কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বাইনারি সংকেত ০ ও ১ কে খুব সহজে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে দশমিক সংখ্যার দশটি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯) ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা প্রকাশ করা সম্ভব হলেও তা খুব কঠিন ও ব্যয়বহুল। তাই কম্পিউটার ডিজাইনে বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
Question 9- (দিনাজপুর বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করে যে বাইনারি সংখ্যা গঠন করা হয় তা হলো সংখ্যাটির ২ এর পরিপূরক।
উত্তরঃ
রেজিস্টার হলো ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে তৈরি ডিজিটাল বর্তনী। সীমিত সংখ্যক ডেটা ধারণের জন্য রেজিস্টার ব্যবহার করা হয়। CPU বিভিন্ন কাজ সম্পাদনের সময় অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা যায় কিন্তু মেমোরিগুলোতে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়াও রেজিস্টারে ডেটা অ্যাকসেস মেমোরির থেকে অনেক দ্রুত হয়। তাই বলা যায় রেজিস্টার ও মেমোরি এক নয়।
উত্তরঃ
উত্তরঃ
উদ্দীপকের ব্লকচিত্র-২ হলো ফুল অ্যাডার। যে সমন্বিত বর্তনী ক্যারিসহ দুটি বিট যোগ করে তাকে ফুল অ্যাডার বা পূর্ণ যোগ কারক বর্তনী বলে। উদ্দীপকের ফুল অ্যাডারে ইনপুট ৩টি যথাক্রমে A, B , C ও আউটপুট ২টি, একটি S অপরটি ক্যারি Cout। তাহলে ফুল অ্যাডারে ইনপুট ৩টি হলো- Aও B এবং অপরটি C (ক্যারি) এবং আউটপুট দুটির একটি S অপরটি Cout। ফুল অ্যাডারের সত্যক সারণি নি¤œরূপ:
Question 10- (কুমিল্লা বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয় তা ইউনিকোড নামে পরিচিত।
Question 11- (কুমিল্লা বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে হটি ইনপুট থেকে ২হ টি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়।
উত্তরঃ
বাইনারি যোগে যে 0, 1 ব্যবহৃত হয় তা আসলে বাইনারি সংখ্যা কিন্তু বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যে 0, 1 ব্যবহৃত হয় তা কোনো সংখ্যা নয় এগুলো আসলে লজিক লেভেল। এজন্য বলা হয় বাইনারি যোগ ও বুলিয়ান যোগ এক নয়।
Question 12- (চট্টগ্রাম বোর্ড-২০২৪)
ক্রিকেট টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচে ‘ক’ দলের ফারহান, ওহিদ ও নাফিজের গড় রান যথাক্রমে (4D.3C)16, (127)8 ও (1010001)2
উত্তরঃ
বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য যে কোড ব্যবহৃত করা হয় তা ইউনিকোড নামে পরিচিত।
উত্তরঃ
Question 13- (চট্টগ্রাম বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
যে ডিজিটাল বর্তনীর মাধ্যমে মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরিত করা হয় তাই হলো এনকোডার।
উত্তরঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরার অর অপারেশন, যেকোনো একটি চলক সত্য হলে অর অপারেশন এর ফল সত্য হয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় সত্যকে 1 ও মিথ্যাকে 0 দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। অতএব, A ও 1 এর মধ্যে বুলিয়ান অর অপারেশন চালালে অর্থাৎ A + 1 করলে এর ফলাফল 1 হয়। কারণ A এর মান যাই হোক না কেন 1 এর সাথে বুলিয়ান অর করলে ফলাফল 1 হবে।
উত্তরঃ
উত্তরঃ
যেহেতু উদ্দীপকের চিত্রে ৩ এ দুটি ইনপুট এবং ২টি আউটপুট আছে। সুতরাং, এটি হাফ অ্যাডার নির্দেশ করে। কিন্তু উক্ত সার্কিটে একটি ইনপুট বৃদ্ধি করলে তা ফুল অ্যাডারে পরিণত হবে। যে সমন্বিত বর্তনী দুটি মূল বিট এবং একটি ক্যারিবিটসহ মোট তিনটি বিটকে যোগ করে তাকে ফুল অ্যাডার বা পূর্ণ যোগ কারক বর্তনী বলে। তাহলে ফুল অ্যাডারে ইনপুট ৩টি হলো- A ও B এবং অপরটি Ci (ক্যারি ইনপুট) এবং আউটপুট দুটির একটি S অপরটি Cout (ক্যারি আউটপুট)। নিচে ফুল অ্যাডার এর সত্যক সারণি দেখানো হলো-
Question 14- (সিলেট বোর্ড-২০২৪)
রাশেদ নির্বাচনি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে যথাক্রমে (4E)16, (1011001)2 ও (85)10 পেল।
উত্তরঃ
কোন সংখ্যা পদ্ধতিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যতগুলো অংক বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাদের মোট সংখ্যাই হলো সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি।
উত্তরঃ
বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয় তা ইউনিকোড নামে পরিচিত। এটি 2 বাইট বা 16 বিটের কোড যা 216 বা 65536 টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করতে পারে। ফলে অনেক দেশের ভাষা এই কোডের মাধ্যমে সহজতর করা সম্ভব হয়েছে।
Question 15- (সিলেট বোর্ড-২০২৪)
চিত্র-1
চিত্র-2
চিত্র-3
উত্তরঃ
EBCDIC হলো- Extended Binary Coded Decimal Information Code এর সংক্ষিপ্ত রূপ যেটিকে মূলত আলফানিউমেরিক কোড বলা হয়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্র-২ হলো নর গেইট। নর গেইট একটি সার্বজনীনন গেইট। যে সকল গেইট দ্বারা মৌলিক গেইটসহ অন্যান্য সকল গেইটসমূহকে তৈরি বা বাস্তবায়ন করা যায় সেই সব গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলে। নর গেইটের মাধ্যমে যদি OR , AND এবং NOT গেইট সার্বজনীন গেইট হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। নিম্নে তা বাস্তবায়ন করে দেখানো হলো-
Question 16- (যশোর বোর্ড-২০২৪)
(i) (1A5)16 (ii) (65)8 (iii) (11010)2
উত্তরঃ
অ্যাসকি (ASCII) কোড এর পূর্ণরূপ হলো- American Standard Code for Information Interchange যা বহুল প্রচলিত আলফানিউমেরিক কোড।
Question 17- (যশোর বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
কাউন্টার হলো এক ধরনের ডিজিটাল সার্কিট যা গণনা করতে পারে।
উত্তরঃ
NAND গেইট এর সকল ইনপুট একই হলে,
যা NOT গেইটের অনুরূপ কাজ করে। আর NOT গেইট হলো মৌলিক গেইট। সুতরাং, NAND গেইটের সকল ইনপুট একই হলে ইহা মৌলিক গেইটে রূপান্তরিত হয়।
Question 18- (বরিশাল বোর্ড-২০২৪)
উত্তরঃ
যে ডিজিটাল বর্তনীর মাধ্যমে মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরিত করা হয় তা হলো এনকোডার।
উত্তরঃ
Alphabet এবং Numeric শব্দ দুটি নিয়ে গঠিত হয় Alphanumeric। অর্থাৎ আলফানিউমেরিক কোড বলতে আমরা বুঝি যে ক্ষেত্রে অ্যালফাবেট (বর্ণ, সিম্বল) থাকবে এবং সাথে সাথে সংখ্যাও থাকবে। যেহেতু ইউনিকোড সকল দেশের অ্যালফাবেট বা বর্ণ এবং সংখ্যা নিয়ে গঠিত। সুতরাং ইউনিকোড একটি আলফানিউমেরিক কোড।
Question 19- (বরিশাল বোর্ড-২০২৪)
চিত্র-1
চিত্র-2
উত্তরঃ
কোনো সংখ্যা পদ্ধতিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যতগুলো অংক বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাদের মোট সংখ্যাই হলো ঐ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি।
Question 20- (ঢাকা বোর্ড ২০২৩)
রনি এবং জনি এবারের একুশের বইমেলা থেকে যথাক্রমে (346)8 এবং (10110110)2 টাকার বই কিনেছিল।
উত্তরঃ
ASCII একটি বহুল প্রচলিত 7 বিট কোড। ASCII এর পূর্ণনাম American Standard Code for Information Interchange. (#1)
উত্তরঃ
ডিকোডারের মাধ্যমে কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তর করা সম্ভব। ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রুপান্তরিত করে।(#1)
ডিকোডার একটি বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র।এর মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যাকে সমতুল্য দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা, বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা, ASCII ও EBCDIC কোডকে আলফানিউমেরিক কোডে রূপান্তর করা সহ নানারকম ডিকোডিং এর কাজ করা যায়।(#2)
উত্তরঃ
যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে।তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ উদ্দীপকের দুইজনের তুলনায় রনি (48)10 বা (110000)2 টাকা বেশি দামের বই কিনেছিল।
উত্তরঃ
”গ” হতে পাই ,
জনির খরচ =(10110110)2 = (182)10
রনির খরচ = (346)8 = (230)10
(230)10 =(?)2
যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে।তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ উদ্দীপকের দুইজনের তুলনায় রনি (48)10 বা (110000)2 টাকা বেশি দামের বই কিনেছিল।
Question 21- (ঢাকা বোর্ড ২০২৩)
উত্তরঃ
কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট এবং যা ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে ।(#1)
উত্তরঃ
উদ্দীপকে প্রদত্ত লজিক ফাংশনটির সত্যক সারণি নিম্নরূপ-
Question 22- (রাজশাহী বোর্ড ২০২৩)
একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী X-এর অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষায় মেধাক্রম ছিল (2F)16 । বার্ষিক পরীক্ষায় তার মেধাক্রম হলো (14)8।
উত্তরঃ
ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যা বুঝানোর জন্য সংখ্যার পূর্বে +/- চিহ্ন দিতে হয়। চিহ্ন বা সাইনযুক্ত এ সংখ্যাকে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা বলে ।→(#1)
উত্তরঃ
কম্পিউটারে সংখ্যার সাথে সাথে বর্ণ, যতিচিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করতে হয়। যে কোডিংয়ে সংখ্যার সাথে সাথে অক্ষর যতিচিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় সেগুলোতে আলফা নিউমেরিক কোড ব্যবহার করা হয়। →(#1)
ASCII একটি সাত বিটের আলফানিউমেরিক কোড। ASCII কোডে ছোট হাতের, বড় হাতের ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, যতি চিহ্ন, গাণিতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। তাই ASCII কোড একটি আলফানিউমেরিক কোড। →(#2)
উত্তরঃ
যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে। তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না।
অর্থাৎ উদ্দীপকে X এর পরীক্ষা দুটির ফলাফলের পার্থক্য (00100011)2 বা (35)10
Question 23- (রাজশাহী বোর্ড ২০২৩)
উত্তরঃএনকোডার এমন এক ধরনের সার্কিট যা আলাদরা আলাদা সিগন্যালকে এনকোড করে আউটপুট হিসেবে বাইনারি সংখ্যা প্রদান করে তাকে এনকোডার বলে। (#1)
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত X-এর জন্য লজিক সমীকরণ নিচে নির্ণয় করা হলো:
উত্তরঃ
উদ্দীপকের বর্তনীটির প্রদত্ত ইনপুট ও প্রাপ্ত আউটপুট অপরিবর্তিত রেখে একটি মাত্র লজিক গেইট দ্বারা বর্তনীটি প্রতিস্থাপন করা যায় কি-না তা লজিক সমীকরণের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হলো:
উদ্দীপকের সার্কিট থেকে প্রাপ্ত লজিক সমীকরণকে সরলীকরণের মাধ্যমে করে NAND গেইট দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যায়। → (#1)
উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে।
Question 24- (কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩)
মামুন জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য (112)8 টাকায় টিকিট কিনল। মামুনের বন্ধু আবির নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা আসার জন্য (3D)16 টাকায় টিকিট কিনল ।
উত্তরঃ
যে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্ন, বেজ বা ভিত্তি এবং এর অবস্থান বা স্থানীয় মান প্রয়োজন হয় তাই পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।#1
উত্তরঃ
প্রতিটি দশমিক সংখ্যা প্রকাশ করার জন্য বিসিডি কোডো চারটি বাইনারি বিটের বিন্যাস ব্যবহার করা হয়। 1 এর বিসিডি কোড 0001 এবং 4 এর বিসিডি কোড 0100. সুতরাং (14)10 এর সমকক্ষ বিসিডি কোড হয় 00010100 যেখানে সর্বমোট ৮টি বাইনারি বিটের প্রয়োজন হয়েছে। → #1
আবার (14)10 এর সমতুল্য বাইনারি মান 1110 যেখানে সর্বমোট ৪টি বাইনারি বিটের প্রয়োজন হয়েছে। সুতরাং (14)10 এর সমকক্ষ BCD কোড এ বেশি বিট প্রয়োজন। →#2
উত্তরঃ
মামুন ও আবির মোট কত টাকার টিকিট ক্রয় করল তা নিচে বাইনারিতে প্রকাশ করা হলো:
উত্তরঃ
মামুন ও আবিরের টিকিটের ক্রয়মূল্যের পার্থক্য যোগের মাধ্যমে নির্ণয় :
সুতরাং মামুন ও আবিরের টিকিটের ক্রয়মূল্যের পার্থক্য যোগের মাধ্যমে নির্ণয় সম্ভব।
Question 25- (কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩)
নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

উত্তরঃ
অ্যাডার হলো এমন একটি সমবায় বর্তনী যার সাহায্যে যোগের কাজ করা হয়। (#1)
উত্তরঃ
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো একটি সংখ্যার মান বের করতে তিনটি বিষয় জানা প্রয়োজন। তা হলো:
১. সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি।
২. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগলোর নিজস্ব মান।
৩. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান।(#2)
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর গেইটটি হলো XNOR গেইট। মৌলিক গেট দ্বারা এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

উত্তরঃ
N=3 হলে চিত্র-২ এর জন্য সত্যক সারণি এবং সার্কিট ডায়াগ্রাম তৈরি করে উদ্দীপকের চিত্র-২ বিশ্লেষণ করা হলো:
উদ্দীপকের চিত্র-২ হলো ডিকোডার। N=3 হলে আউটপুট হবে 23 = 8 । অর্থাৎ ডিকোডারের ৩টি ইনপুট থেকে ৮টি আউটপুট পাওয়া যাবে।

সত্যক সারণি থেকে SOP মেথডের সাহায্যে প্রত্যেকটি আউটপুটের জন্য নিমোক্ত বুলিয়ান ফাংশন লিখা যায়-
![]()
প্রতিটি আউটপুটে একটি করে মোট আঁটটি প্রোডাক্ট টার্ম আছে। অর্থাৎ আঁটটি AND গেইটের সাহায্যে আঁটটি প্রোডাক্ট টার্ম বাস্তবায়ন করা যাবে। নিচে 3 to 8 লাইন ডিকোডারের সার্কিট দেখানো হলো-

ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ধরনের সার্কিট যার ইনপুট হিসেবে কোন বাইনারি সংখ্যা দিলে আউটপুটে তার বিপরীতে সিগন্যাল প্রদান করে। কম্পিউটার আউটপুট ইউনিটে কোডিংকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় প্রকাশ করার জন্য ডিকোডারের প্রয়োজন হয়।
Question 26- (যশোর বোর্ড ২০২৩)
স্যার আইসিটি ক্লাসে দু’জন ছাত্রকে দুটি দশমিক সংখ্যা লিখতে বলায় একজন (+63) এবং অন্যজন (+70) লিখলো। তখন স্যার বললেন আমি 0, 1, 2, 3 ও 4 দিয়ে নতুন একটি সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছি।
উত্তরঃ
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন সংখ্যার পূর্ণ সংখ্যা ও ভগ্নাংশকে যে চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয় তাই রেডিক্স পয়েন্ট। #1
উত্তরঃ
উদ্দীপকের নতুন সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3 ও 4 মোট 5টি সংখ্যা রয়েছে সুতরাং এ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 5।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের সংখ্যা দুটি হলো (+70) ও (+63)
Question 27- (যশোর বোর্ড ২০২৩)

উত্তরঃ
কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুনতে পারে, তাই কাউন্টারের মোড নম্বর।
উত্তরঃ
ডি মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য: দুই বা ততোধিক বলিয়ান চলকের যোগফলের পূরক ওই চলক গুলোর পূরকের গুণফল এর সমান। #১
উত্তরঃ
উদ্দীপকের বর্তনীটি হলো হাফ অ্যাডার। নিচে NOR গেইট দিয়ে হাফ অ্যাডার বাস্তবায়ন দেখানো হলো-
উত্তরঃ
উদ্দীপকের বর্তনীতে একটি ইনপুটের সংখ্যা বৃদ্ধি করলে নতুন যে বর্তনীটি হবে ফুল অ্যাডার। নিচে হাফ অ্যাডার দিয়ে ফুল অ্যাডার বাস্তবায়ন করে দেখানো হলো:
হাফ অ্যাডার দ্বারা পূর্ণ যোগের বর্তনী করা সম্ভব। নিচে তা দেখানো হলো:
প্রথম হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে–
S1=AꚚB এবং S2=S1ꚚCi এবং
C1=A.B C2=S1.Ci
ফুল অ্যাডারের ইনপুট A, B ও Ci এবং আউটপুট যোগফল S ও ক্যারি Co হলে ফুল অ্যাডারের ক্ষেত্রে,
S = S1+S2 Co=C1 +C2
= S1+ S1ꚚCi =AB+S1.Ci
= S1ꚚCi = AꚚBꚚCi =AB+(AꚚB)Ci
চিত্রঃ হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল অ্যাডারের সার্কিট বাস্তবায়ন
Question 28- (যশোর বোর্ড ২০২৩)
উত্তরঃ
নিজস্ব ছোট কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একটি বিশাল আকার কম্পিউটার ভাড়া করে যথেচ্ছা ব্যবহার এবং যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেই কম্পিউটারের সংরক্ষণের ধারণাটি হল ক্লাউড কম্পিউটিং।#1
উত্তরঃ
802.15 প্রযুক্তি টি হল ব্লুটুথ প্রযুক্তি। ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের (১০ মিটার বাদ ৩৩ ফিট এর কাছাকাছি) ভেতরে বিনা খরচের ডাটা আদান-প্রদানের বহু প্রচলিত ওয়ারলেস পদ্ধতি। → #1
ব্লুটুথ এর সাহায্যে বিনা খরচের স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইসে নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ট্যাব, মেডিকেল ডিভাইস এবং বাসা বাড়ির বিনোদনের অনেক ডিভাইসের ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বল্পদুরুত্তের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসের ছবি, ভিডিও, অডিও আদান-প্রদান সম্ভব।→#2
উত্তরঃ
উদ্দীপকে ডট বেষ্টিত ডিভাইসটি হলো 3 to 8 লাইন ডিকোডার। →#1
ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোড কে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাট এ রূপান্তর করে। ডিকোডার ইনপুট এর সংখ্যা n হলে তার আউটপুট সংখ্যা 2n হবে এবং আউটপুট লাইনে যেকোনো একটি আউটপুট 1 হলে বাকি সব আউটপুট 0 পাওয়া যাবে। আউটপুট অবস্থা সর্বদা ইনপুট অবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
উদ্দীপকের ডিকোডারটির ক্ষেত্রে n=3 এর জন্য সত্যক সারণিটি নিম্নরূপ:
3 to 8 সার্কিট ডায়াগ্রাম:
ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ধরনের সার্কিট যার ইনপুট হিসেবে কোন বাইনারি সংখ্যা দিলে আউটপুটে তার বিপরীতে সিগন্যাল প্রদান করে। কম্পিউটার আউটপুট ইউনিটে কোডিংকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় প্রকাশ করার জন্য ডিকোডারের প্রয়োজন হয়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্রে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম Clock pulse এর প্রয়োগে X, Y ও Z এর মান কী হবে? বিশ্লেষণ করা হলো:
অর্থাৎ ,উদ্দীপকের চিত্রে ৪র্থ Clock Pulse এর প্রয়োগ X, Y, Z এর মান হবে 0 0 1, ৫ম Clock Pulse এর প্রয়োগে X, Y, Z এর মান হবে 1 0 1 এবং ৭ম Clock Pulse এর প্রয়োগ X, Y, Z এর মান হবে 1 1 1. →#4
Question 29- (চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩)
X = (123)n এবং Y = (43)16
উত্তরঃ
একটি দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে আলাদাভাবে চারটি বাইনারি বিট দিয়ে প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে। (#1)
উত্তরঃ
এটি একটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 5+3 = 8 হয়। কিন্তু অক্টাল পদ্ধতিতে যোগ করলে 5+3 = 10 হয়। অক্টাল পদ্ধতিতে ৭ এর পরবর্তী সংখ্যা ১০ বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির সমতুল্য মান ৮।
(#2)
উত্তরঃ
(123)n = (83)10
এখন আমরা এই সমীকরণ সমাধান করতে পারি।
123 কে দশমিক সিস্টেমে প্রকাশ করলে,
1 x n2 + 2 x n1 + 3 x n0 = 83
এটি সমাধান করলে, n এর মান বের করা যাবে।
- n2 + 2n + 3 – 83 = 0
- n2 + 2n – 80 = 0
- n2+10n-8n-80=0
- ( n + 10 ) ( n – 8) = 0
হয় n = -10 অথবা n = 8
n এর মান নেগেটিভ হবেনা, সুতরাং n = 8
উত্তরঃ
গ’ হতে পাই,
X = (123)n = (123)8 = (83)10
যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে। তাই এটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ X-Y গাণিতিক প্রক্রিয়াটি 2-এর পরিপুরকের সাহায্যে যোগের মাধ্যমে করা যায়। X-Y ফলাফল হবে ( 16 )10 বা (10000)2 ।
Question 30- (চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩)
উত্তরঃ
যে ডিজিটাল সার্কিট এর মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যার যোগ করা যায় তা হচ্ছে অ্যাডার। (#1)
উত্তরঃ
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর লজিক ফাংশনটির সত্যক সারণি নিচে দেওয়া হলো:
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্র-২ এর লজিক গেইটটি হলো ন্যান্ড গেইট। ন্যান্ড গেইট একটি সার্বজনীন গেইট দ্বারা যে কোনো ফাংশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব। ন্যান্ড গেইট দ্বারা উদ্দীপকের চিত্র-১ এর লজিক ফাংশনের বাস্তবায়ন করা হলো: ( #1 )
Question 31- (বরিশাল বোর্ড ২০২৩)
উত্তরঃ
ফ্লিপ ফ্লপ এক ধরনের সার্কিট যেখানে একটি ইনপুট দিয়ে সেই ইনপুট এর মান সংরক্ষণ করা যায়। (#1)
উত্তরঃ
যেসব গেট দিয়ে মৌলিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায় সেসব গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। (#1)
NAND গেইট- NOT এবং AND গেইটের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। এ গেইট দিয়ে মৌলিক গেইট বাস্তবায়ন করা হয় বিধায় এ গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলে। (#2)
উত্তরঃ
চিত্র-১ এর আউটপুটের জন্য সত্যক সারণি নিচে দেওয়া হলো:
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্র-২ একটি হাফ অ্যাডার এর লজিক সার্কিট এবং চিত্র-৩ একটি ফুল অ্যাডার এর ব্লক ডায়াগ্রাম।(#1)
যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা অঙ্ক বা ক্যারি বের করতে পারে তাকে হাফ অ্যাডার বলে। দুটি বিটের যোগফল এবং ক্যারি বের করার জন্য হাফ অ্যাডার ব্যবহার করা হয়। এতে যদি ক্যারি বিট আসে তাহলে তা বাদ দেওয়া হয়। ফলে ক্যালকুলেশন অসম্পূর্ণ থাকে।(#2)
অপরদিকে যে বর্তনীতে তিনটি বাইনারি বিট যোগ করার পর দুটি আউটপুট সংকেত যার একটি যোগফল S এবং ক্যারি C0 পাওয়া যায় তাকে ফুল অ্যাডার বা পূর্ণ যোগের বর্তনী বলে। তিনটি বিটের যোগের যোগ করাকে ফুল অ্যাডার বলে।(#3)
একটি সংখ্যা যোগ করার জন্য ফুল অ্যাডার বেশি উপযোগী, কারণ এটি তিনটি বিট (A, B, এবং Carry In) যোগ করতে পারে এবং তাই দীর্ঘ সংখ্যার বা একাধিক বিটের যোগফল সঠিকভাবে গণনা করতে পারে, যেখানে প্রতিটি বিটের ক্যারি আউট পরবর্তী বিটের ক্যারি ইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উল্লিখিত আলোচনা থেকে এটাই প্রতীয়মান যে চিত্র-৩ বা ফুল অ্যাডার যোগ করার জন্য বেশি উপযোগী।
(#4)
Question 32- (বরিশাল বোর্ড ২০২৩)
সম্প্রতি ‘লাল’ ও ‘সবুজ’ দলের মধ্যে একটি টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। ‘লাল’ দল প্রথম ইনিংসে করে (1101010)2 রান। সবুজ দল প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে করে (347)10 রান। লাল দল দ্বিতীয় ইনিংসে (C3)16রান ।
উত্তরঃ
কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা বোঝানোর জন্য সর্বমোট যতগুলো চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়, সেটিই হচ্ছে ঐই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি।
উত্তরঃ
পৃথিবীর সব মাতৃভাষার বর্ণকে Unicode কম্পিউটারের বর্ণ পরিবর্তিত করেছে। Unicode কনসর্টিয়াম নামে একটি সংগঠন রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। ২০২০ সালের ইউনিকোডের ১৩টি সংস্করণে ১৫৪ টি ভাষা স্থান পেয়েছে। সর্বশেষ ইউনিকোডের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য 000016 থেকে শুরু করে (10FFFF)16 এর ভেতরে একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে. ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য ৬৫,৫৩৬ স্থান সংরক্ষণ করা আছে। #1 প্রাচীন মিশরীয় হ্যালোগ্রাফিক ভাষা থেকে শুরু করে বর্তমানে ইমোজিকেও ইউনিকোডের আওতায় আনা হয়েছে।
তাই বলা যায়, পৃথিবীর সব মাতৃভাষার বর্ণকে ইউনিকোড কম্পিউটারের বর্ণের পরিবর্তন করেছে।
উত্তরঃ
সবুজ দলের ১ম ইনিংসের রান (347)10। নিচে রানটি হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হলো:
উত্তরঃ
লাল দলের দুই ইনিংসের রানের যোগফল সবুজ দলের প্রথম ইনিংসের চেয়ে কম না বেশি তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
লাল দলের প্রথম ইনিংসের রান (1101010)2=(?)10
(1101010)2= 1 ×26 + 1×25 + 0×24 + 1×23 + 0×22 + 1×21 + 0×20
= 64 + 32 + 0 + 8 + 2 + 0
= 106. #1
সুতরাং (1101010)2=(106)10.
এখন,
লাল দলের দ্বিতীয় ইনিংসের রান = (C3)16=(?)10
(C3)16= C×161 + 3×160
= 12 × 16 + 3 × 1
= 192+ 3
= (195)10
সুতরাং লাল দলের ২ ইনিংসের মোট রান (106+195)10 = (301)10 এবং সবুজ দলের প্রথম ইনিংসের রান (347)10.(#3)
সুতরাং লাল দলের দুই ইনিংসের রানের যোগফল সবুজ দলের প্রথম ইনিংসের চেয়ে কম।
Question 33- (সিলেট বোর্ড ২০২৩)
উত্তরঃ
রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসর এর অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতিসম্পন্ন অস্থায়ী মেমোরি।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এর সত্যক সারণি নিচে অঙ্কন করা হলো:
উত্তরঃ
দৃশ্যকল্প-২ NOR গেটকে নির্দেশ করে। NOR গেট দিয়ে দৃশ্যকল্প-১ এর সরলীকৃত সমীকরণ বাস্তবায়ন সম্ভব। নিচে তা ব্যাখ্যা বাসস্তায়ন করা হলো:
Question 34- (সিলেট বোর্ড ২০২৩)
নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-
উত্তরঃ
বাইনারি অংকের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বিট। বিট হলো 0 ও 1
উত্তরঃ
ইউনিকোড হচ্ছে পৃথিবীর প্রায় সব ভাষায় লেখালেখিকে একটি পদ্ধতিতে সমন্বিত করার কোড।(#1) ২০২০ সালে ইউনিকোডের 13 টি সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে। সর্বশেষ ইউনিকোডের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী যেখানে প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য (0000)16 থেকে শুরু করে (10FFFF)16 এর ভেতরে একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।(#1)
ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য 65,536 টি স্থানে সংরক্ষণ করা আছে। সেজন্য আগে সে সমস্ত ভাষা কয় হাজার চিত্রকল্প দিয়ে লিখা হতো বলে কম্পিউটারের প্রক্রিয়া করা কঠিন ছিল, সেগুলো এখন ইউনিকোডে সংকলন করা হয়ে গেছে।
(#2)
উত্তরঃ
উদ্দীপকের ৫ম সংখ্যাটি হলো 101010 । নিচে সংখ্যাটিকে অক্টাল, দশমিক ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করে দেখানো হলো-
উত্তরঃ
উদ্দীপকের ৪র্থ সংখ্যাটি হলো 101000।(#1) ২ এর পরিপূরক পদ্ধতি ব্যবহার করে ৪র্থ সংখ্যা থেকে ২য় সংখ্যার পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
২য় সংখ্যাটি হলো: (100100)2 = (36)10
৪র্থ সংখ্যাটি হলো: (101000)2 = (40)10
যোগফলের নবম বিটে 1 অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে। তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না।
অর্থাৎ ৪র্থ সংখ্যা থেকে ২য় সংখ্যার পার্থক্য ২ এর পরিপূরক পদ্ধতিতে (4)10 বা (100)2।
Question 35- (দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩)
কাকলী, পলি ও কণা তিন বান্ধবী। কাকলী ও পলি মার্কেটে গিয়ে নিজেদের জন্য একটি করে পোশাক কিনলো। পরবর্তীতে কণা তাদের পোশাকের দাম জানতে চাইলে কাকলী বলল (167)8 টাকা ও পলি বলল (79)16টাকা ।
উত্তরঃ
কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা বোঝানোর জন্য সর্বমোট যতগুলো অংক ব্যবহার করতে হয় সেটি হচ্ছে সংখ্যাটির ভিত্তি বা বেজ। (#1)
উত্তরঃ
কাকলির পোশাকের দাম= (167)8= (?)
(167)8 = 1×82+6×81+7×80
=64+48+7×1
=64+47+7
=119 → (#1)
সুতরাং, (167)8= (119)10
পলির পোশাকের দাম= (79)16= (?)10
(79)16 = 7×161+9×160
=112+9×1
=112+9=121 —> (#2)
সুতরাং, (79)16= (121)10
অর্থাৎ কাকলি ও পলির পোশাকের দাম ১০ ভিত্তিক সংখ্যায় (119)10 এবং (121)10। —>(#3)
উত্তরঃ
‘গ’ হতে পাই,কাকলির পোশাকের দাম (167)8= (119)10
যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে চলে এসেছে। তাই এটি বিবেচনা করা হবে না।
অর্থাৎ পলির পোশাকের দাম কাকলি থেকে (2)10 বা (10)2 টাকা বেশি।
Question 36- (দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩)
নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-
উত্তরঃ
ফ্রিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট ইনপুট এ দেওয়া পালসের সংখ্যা গুনতে পারে তাই কাউন্টার। →#1
উত্তরঃ
চিত্র -1 হতে প্রাপ্ত X সরলীকৃত মানকে NAND গেট দ্বারা বাস্তবায়ন করে দেখানো হলো:
উত্তরঃ
উদ্দীপকের চিত্র-২ হলো হাফ অ্যাডার। →#1
হাফ অ্যাডার দ্বারা পূর্ণ যোগের বর্তনী করা সম্ভব। নিচে তা দেখানো হলো:
প্রথম হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে–
S1=AꚚB এবং S2=S1ꚚCi এবং
C1=A.B C2=S1.Ci
ফুল অ্যাডারের ইনপুট A, B ও Ci এবং আউটপুট যোগফল S ও ক্যারি Co হলে ফুল অ্যাডারের ক্ষেত্রে,
S = S1+S2 Co=C1 +C2
= S1+ S1ꚚCi =AB+S1.Ci
= S1ꚚCi = AꚚBꚚCi =AB+(AꚚB)Ci
চিত্রঃ হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল অ্যাডারের সার্কিট বাস্তবায়ন
Question 37- (ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩)
A, B ও C এর নিকট যথাক্রমে (1001000)2 ,(67)10 ও (502)8টাকা আছে।
উত্তরঃ
সংখ্যাকে প্রকাশ এবং গণনা করার পদ্ধতি হচ্ছে সংখ্যা পদ্ধতি। #1
উত্তরঃ
4 বিটের কোড হলো BCD কোড। BCD কোড এর পূর্ণ নাম হচ্ছে binary coded decimal। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য এই কোড ব্যবহার করা হয়। (#1)
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রতিটি অংক কে সমতুল্য চার বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিটি কোড বলে। এই কোডের মাধ্যমে 0-9 পর্যন্ত মোট 10 টি সংখ্যাকে 4 বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা নির্দেশ করা হয়।(#2)
উত্তরঃ
A এর নিকট টাকা আছে = (1001000)2 = (72)10
B এর নিকট টাকা আছে = (67)10 = (?)

যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে এসে পড়েছে। তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ A ও B এর টাকার পার্থক্য (5)10 বা (101)2।(#3)
উত্তরঃ
যোগফলের নবম বিটে (1) অঙ্কটি ওভারফ্লো হিসেবে এসে পড়েছে। তাই সেটি বিবেচনা করা হয় না। অর্থাৎ A ও B এর টাকার পার্থক্য (5)10 বা (101)2।

Question 38- (ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩)

উত্তরঃ
যে ডিজিটাল বর্তনীর মাধ্যমে মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরিত করা হয় অর্থাৎ আনকোডেড (Uncoded) ডেটাকে কোডেড (Coded) ডেটায় পরিণত করা হয় তাকে এনকোডার বলে।→#1
উত্তরঃ
চিত্র-২ এর দ্বারা নির্দেশিত গেইটটি হলো NAND গেইট। নিচে NOR গেইট দ্বারা NAND গেইটটি বাস্তবায়ন করে দেখানো হলো:
Question 39- (ঢাকা বোর্ড ২০১৯)
তাসকিন স্যার শ্রেণিকক্ষে ICT বিষয়ের সংখ্যা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছিলেন। ক্লাসের এক পর্যায়ে স্যার সোহেল ও রোহানকে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা ১ম সাময়িক পরীক্ষায় ICT বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছিলে? সোহেল বলল (105)8 এবং রোহান বলল (4F)16 । পিছনে বসে থাকা মিতা বলল স্যার আমিতো (100111)2 নম্বর পেয়েছি।
উত্তরঃ
0 ও 1 এ দুটি চিহ্ন ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সংখ্যা পদ্ধতিই বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি।→#1
উত্তরঃ
মিতার প্রাপ্ত নম্বর (100111)2=(?)10
(100111)2=1×25+0×24+0×23+1×21+1×20
=32+0+0+4+2+1
=(39)10
সুতরাং, মিতার প্রাপ্ত নম্বর দশমিকে (39)10
উত্তরঃ
সোহেল ও রোহানের প্রাপ্ত নম্বরের মধ্যে পার্থক্য যোগের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়।
সোহেল (105)8 এবং রোহান (4 F)16 নম্বর পেয়েছে। অর্থাৎ রোহানের নম্বর বেশি হওয়ায় (4 F)16 থেকে (105) 8 নম্বরের পার্থক্য নির্ণয় করতে 2 এর পরিপূরক পদ্ধতিতে যোগ করতে হবে।
(4 F)16−(105)8=(4 F)16+(−105)8 কে 2 এর পরিপূরক পদ্ধতিতে যোগের মাধ্যমে পার্থক্য নির্ণয় করতে হবে।
Question 40- (ঢাকা বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
এনকোডার হলো এমন এক ধরনের সার্কিট যা আলাদা আলাদা লাইনের সিগন্যালকে এনকোড করে আউটপুট হিসেবে বাইনারি সংখ্যা প্রদান করে।
উত্তরঃ
ইউনিকোড বাংলা ভাষা বুঝতে পারে । ইনিকোড হচ্ছে পৃথবীর প্রায় সব ভাষার লেখালেখিকে একটি পদ্ধতিতে সমন্বিত করার কোড। ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম নামে একটি সংগঠন এটি রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। ১৯৯১ সালে ২৪টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ ১.০.০ প্রকাশিত হয় যেখানে বাংলা ভাষাও ছিলো। #1
সর্বশেষ ইউনিকোডের Standard অনুযায়ী যেখানে প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য 000016 থেকে শুরু করে 10FFFF16 এর ভেতর একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। যেমন: 099516 হচ্ছে বাংলা অক্ষর ‘ক’। ইউনিকোড প্রতিটি ভাষার জন্য 65,536 টি স্থান সংরক্ষণ করা আছে। #2
Question 41- (রাজশাহী বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
ASCII হচ্ছে একটি আলফানিউমেরিক কোড যার পূর্ণরূপ- American Standard Code for Information Interchange.(#1)
উত্তরঃ
সাধারণত কম্পিউটারের মাধ্যমে যোগ ও বিয়োগের কাজ করতে হলে যোগের জন্য Adder Circuit এবং বিয়োগের জন্য Subtractor Circuit পৃথক পৃথকভাবে ব্যবহার করতে হয়।(#1)
এতে করে ডিজিটাল বর্তনীর জটিলতা বাড়ে এবং সর্বপরি মূল্যও বৃদ্ধি পায়। এ সকল অসুবিধা সমূহ দূর করার জন্য ২’এর পরিপূরক ব্যবহার করা হয়। ফলে ডিজিটাল বর্তনীটি সরল হয় ।(#2)
Question 42- (রাজশাহী বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতি সম্পন্ন মেমোরি।
উত্তরঃ
F=A’B+BC
= A’B+AC+BC(A+A’)
=A’B+AC+ABC+A’BC
=A’B+A’BC+AC+ABC
=A’B(1+C)+AC(1+B)
=A’B+AC
উত্তরঃ
উদ্দীপকে Y এর সরলকৃত মান নিচে নির্ণয় করা হলো:
Question 43- (কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯)
‘ক’ কলেজের আইসিটি শিক্ষক বোর্ডে (63)10 , (63)8 এবং (63.8)16 সংখ্যাগুলো লিখলেন এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যা দুটি যোগ করে দেখালেন। অতঃপর বললেন,“কম্পিউটারের অভ্যন্তরে গাণিতিক কাজ হয় একটি মাত্র অপারেশনের মাধ্যমে”।
উত্তরঃ
ইউনিকোড হচ্ছে পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার লেখালেখিকে একটি পদ্ধতিতে সমন্বিত করার কোড। (#১)
Question 44- (কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
যে ডিজিটাল সার্কিটের মাধ্যমে বাইনারি বিট যোগ করা যায় তা হচ্ছে অ্যাডার। →#1
উত্তরঃ
M(M+N)
=MM+MN
=M+MN
=M(1+N)
=M+1
=M
উত্তরঃ
চিত্র-২ এর গেইটটি হচ্ছে NAND গেইট। NAND গেইট দিয়ে চিত্র-১ এর সমতুল্য সার্কিট বাস্তবায়ন সম্ভব। নিচে তা দেখানো হলো-
Question 45- (যশোর বোর্ড ২০১৯)
ঝুমি ও রুমি টেস্ট পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বর যথাক্রমে (920)10 ও (920)8 । তাদের ক্লাস রোল যথাক্রমে (37)8 ও (3A)16।
উত্তরঃ
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রতিটি অংককে সমতুল্য চার বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
উত্তরঃ
বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলো একটি মান তৈরি করেছেন যাকে ইউনিকোড বলা হয়। কম্পিউটারের সাহায্যে কোন তথ্যকে লিখিত আকারে প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এনকোডিং পদ্ধতির মধ্যে ইউনিকোডকে আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইউনিকোড বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের জন্য আশীর্বাদ। ইউনিকোড হচ্ছে ১৬ বিট কোড। বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। এ কোডের মাধ্যমে ২১৬ বা ৬৫৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। তাই ইউনিকোডের মাধ্যমে বিশ্বের সকল ভাষাকে কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
উত্তরঃ
ঝুমুর টেস্ট পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর (920)10 এবং রুমির টেস্ট পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর (920)8। কিন্তু অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ 8 এবং এর সঙ্গে পদ্ধতিতে 0-7 পর্যন্ত সংখ্যাগুলির ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ (920)8 সংখ্যাটি সঠিক নয়। তাই ঝুমী ও রুমে প্রাপ্ত নম্বর দুটির পার্থক্য যৌগের মাধ্যমে নিরূপণ করা সম্ভব নয়।
Question 46- (যশোর বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
যে সকল গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ অন্যান্য সকল প্রকার গেইট তৈরি বা বাস্তবায়ন করা যায় তাদের সার্বজনীন গেইট বলে।
উত্তরঃ
কোডেড ডেটাকে আনকোডেড ডেটায় রূপান্তরের ডিভাইস হলো ডিকোডার। ডিজিটাল বর্তনীর সাহায্যে কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করার পদ্ধতিকে ডিকোডার বলে। কম্পিউটারের আউটপুট ইউনিটে কোড ভাষায় লেখা তথ্যকে সাধারণ আকারে প্রকাশ করতে ডিকোডারের প্রয়োজন হয়। কন্ট্রোল ইউনিটে বিভিন্ন নির্দেশ, মেমোরি অ্যাড্রেস, কাউন্টারের বাইনারি সংখ্যা ইত্যাদি ডিকোড করতে ডিকোডারের সাহায্য লাগে। ডিকোডার মেমোরি নয় কিন্তু মেমোরির মতো কাজ করে।
উত্তরঃ
হাফ অ্যাডার দ্বারা পূর্ণ যোগের বর্তনী করা সম্ভব। নিচে তা দেখানো হলো:
প্রথম হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে–
S1=AꚚB এবং S2=S1ꚚCi এবং
C1=A.B C2=S1.Ci
ফুল অ্যাডারের ইনপুট A, B ও Ci এবং আউটপুট যোগফল S ও ক্যারি Co হলে ফুল অ্যাডারের ক্ষেত্রে,
S = S1+S2 Co=C1 +C2
= S1+ S1ꚚCi =AB+S1.Ci
= S1ꚚCi = AꚚBꚚCi =AB+(AꚚB)Ci
চিত্রঃ হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল অ্যাডারের সার্কিট বাস্তবায়ন
Question 47- (চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯)
রনি আইসিটি ক্লাসে বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। এ ধারণার ভিত্তিতে রনির বোনের বয়স, (110101)2 এবং ভাইয়ের বয়স (53)8 বছর। রনি ও তার ভাই একই ব্রান্ডের ও একই মডেলের দুইটি স্কুল ব্যাগ যথাক্রমে (207)16 ও (510)10 টাকা দিয়ে ভিন্ন দোকান থেকে ক্রয় করে।
উত্তরঃ
Unicode হচ্ছে পৃথিবীর প্রায় সব ভাষায় লেখালেখিকে একটি পদ্ধতিতে সমন্বিত করার কোড।
উত্তরঃ
1+1+1=1 এটি একটি লজিক্যাল বা যৌক্তিক যোগ যা OR (+) গেইট দ্বারা বাস্তবায়ন করা যায়। →#1
OR (+) গেইট ইনুপুটগুলোর মধ্যে যে কোনী একটি ইনপুটের মান 1 হলেই আউটপুট 1 হয়।→#2
Question 48- (চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
যেসব গেট দিয়ে মৌলিক গেটসহ অন্যান্য সকল প্রকার গেট তৈরি বা বাস্তবায়ন করা যায়, সে সকল গেট হচ্ছে Universal গেট। #1
উত্তরঃ
কম্পিউটারের ভাষাকে মানুষের বোধহম্য ভাষাকে রূপান্তরের সার্কিটটি ডিকোডার। #1
ডিজিটাল বর্তনীর সাহায্যে কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করার পদ্ধতিকে ডিকোডার বলে। কম্পিউটার এর আউটপুট ইউনিটে কোড ভাষায় লেখা তথ্যকে সাধারন আকারে প্রকাশ করতে ডিকোডার প্রয়োজন হয়। কন্ট্রোল ইউনিটে বিভিন্ন নির্দেশ,মেমোরি আ্যড্রেস, কাউন্টারের বাইনারি সংখা ইত্যাদি ডিকোড করতে ডিকোডার সাহায্য লাগে। ডিকোডার মেমোরি নয় কিন্তু মেমোরির মতো কাজ করে। কম্পিউটারে ব্যাবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরিত করে। #2
উত্তরঃ
উদ্দীপকের বর্তনীটি ফুল আ্যডার নির্দেশ করে।মৌলিক গেইট দিয়ে ফুল আ্যডারের লজিক সার্কিটঃ
ফুল আ্যডারের সত্যক সারণি থেকে লেখা যায় যে, →#1
উত্তরঃ
উদ্দীপকের
বর্তনীটিতে একটি ইনপুটের সংখা হ্রাস করলে নতুন বর্তনীটি হবে হাফ আ্যডার।এই হাফ আ্যডারের
যোগফল ও ক্যারিকে ন্যান্ড গেইট দিয়ে বাস্তবায়ন করা হলো-
Question 49- (বরিশাল বোর্ড ২০১৯)
ICT শিক্ষক শ্রেণিতে সংখ্যা পদ্ধতি পড়াচ্ছিলেন। এক ছাত্রকে রোল নম্বর জিজ্ঞাসা করায় সে (375)16উত্তর দিল। শিক্ষক ছাত্রের রোল’ নম্বরটিকে ৮টি মৌলিক চিহ্নবিশিষ্ট সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করে দেখালেন। ছাত্রটির গত বছরের রোল নম্বর (17C)16জানতে পেরে শিক্ষক তার শেষ পরীক্ষার ফলাফল ভালো হয়েছে মন্তব্য করলেন।
উত্তরঃ
যে সমবায় বর্তনীর সাহায্যে যোগের কাজ করা হয় তাকে অ্যাডার বলে।
উত্তরঃ
একটি কাউন্টার প্রথম ধাপ থেকে শুরু করে আবার প্রথম ধাপে ফিরে আসতে যতগুলো ধাপ প্রয়োজন হয় তাকে ঐ কাউন্টারের মোড নম্বর বলে।
কাউন্টারে nটি ফ্লিপ ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n টি হবে। সাধারণত একটি কাউন্টারের মোড নম্বর 2n । কাউন্টারে 4টি ফ্লিপ ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n =24 = 16টি হবে ।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের আলোকে ,
(375)10=(?)8
উত্তরঃ
ছাত্রটির বর্তমান রোল নম্বর =(375)10
(375)10=(?)2
∴(375)10=(101110111)2
ছাত্রটির গত বছরের রোল নম্বর =(17C)16=(380)10
∴(17C)16=(380)10=(?)2
∴(380)10=(101111100)2
যোগের মাধ্যমে অর্থাৎ ২ এর পরিপূরক পদ্ধতিতে নম্বরদ্বয়ের পার্থক্য নির্ণয় :
শেষের ক্যারি বিবেচিত হয় না । অর্থাৎ ছাত্রটির বর্তমান রোল নম্বরদ্বয়ের পার্থক্য হচ্ছে 5 এবং শিক্ষক ছাত্রের শেষ পরীক্ষার ফলাফল ভালো হয়েছে বলে যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক।
Question 50- (বরিশাল বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
কম্পিউটারে বর্ণ, অক্ষর, শব্দ বা চিহ্নকে বাইনারিতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়ায় হচ্ছে কোড। #১
উত্তরঃ
উদ্দীপকের আলোকে,
উত্তরঃ
আউটপুট F কে শুধুমাত্র “A” চিহ্নিত গেইট অর্থাৎ NOR গেইট দিয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
Question 51- (সিলেট বোর্ড ২০১৯)
সুমি, সুমির বাবা ও মায়ের বয়স যথাক্রমে (10)16,(100)8এবং (2F)16বছর।
উত্তরঃ
দশমিক সংখ্যাকে 4 বিটের বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য যে কোড ব্যবহার করা হয়, তাই BCD (Binary Coded Decimal) কোড।
উত্তরঃ
2 এর পরিপূরক করলে সংখ্যার শুধুমাত্র চিহ্নের পরিবর্তন হয়। ডিজিটাল বর্তনীতে সরল করে। 2 এর পরিপূরক গঠনে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং চিহ্নবিহীন সংখ্যা যোগ করার জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়। 2 এর পরিপূরক গঠনে যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়। তাই আধুনিক কম্পিউটারে 2 এর পরিপূরক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ
সুমির মায়ের বয়স (2F)16। নিচে তা অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করা হলো-
উত্তরঃ
সুমির বয়স,
(10)16
=1×161 + 0x160
=1×16 + 0
= ( 16 ) 10
সুতরাং, সুমির বয়স দশমিকে 16 বছর।
সুমির বাবার বয়স,
(100)8
= 1 x 82 + 0x81 + 0x80
=1×64+0+0
= ( 64 ) 10
সুতরাং, সুমির বাবার বয়স দশমিকে,
64 বছর
= 4×16 বছর
= 4xসুমির বয়স
সুমির বাবার বয়স সুমির বয়সের 4 গুণ ।
Question 52- (সিলেট বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
একটি কাউন্টার প্রথম ধাপ থেকে শুরু করে আবার প্রথম ধাপে ফিরে আসতে যতগুলো ধাপ প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ কাউন্টারের মোড বলে।
উত্তরঃ
পাঁচ ইনপুট অ্যান্ড গেইট বাস্তবায়নে দুইটি NAND গেইটের প্রয়োজন হবে।![]()
Question 53- (দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
†h mKj †Uwej ev mviwYi gva¨‡g wewfbœ †MB‡Ui djvdj ev jwRK mvwK©‡Ui Bbcy‡Ui Dci wfwË K‡i AvDUcy‡Ui djvdj cÖKvk Kiv nq ZvB mZ¨K mviwY|
উত্তরঃ
OR গেইট এর ক্ষেত্রে আমরা জানি,
Question 54- (দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯)
উত্তরঃ
বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলো একটি মান তৈরি করেছেন যাকে ইউনিকোড বলা হয়।
Question 55- (ঢাকা,যশোর,সিলেট,দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮)
রানা ও সুমি আইসিটি পরীক্ষায় (110010)2 এর মধ্যে (62)8 এবং (2F)16 নম্বর পেয়েছে।
উত্তরঃ
যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বা সংকেতের মাধ্যমে বর্ণ, অঙ্ক ও সংখ্যাগুলোকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হয় তাই কোড।
উত্তরঃ
যে সংখ্যা পদ্ধতি ৩টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে ৩- ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। ৩-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1 ও 2 এ তিনটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। এ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৩।
উত্তরঃ
(110010)2 নম্বরটি নিচে পূর্ণ নম্বর দশমিকে পরিবর্তন করে দেখানো হলো-
(110010)2=(?)10
(110010)2=1×25+1×24+0×23+0×22+1×21+0×20=32+16+0+0+2+0=50
∴(110010)2=(50)10
উত্তরঃ
2 এর পরিপূরক পদ্ধতিতে যোগের মাধ্যমে রানা ও সুমির আইসিটিতে প্রাপ্ত নম্বরের পার্থক্য নির্ণয় করা সম্ভব।নিচে তা গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো-
Question 56- (ঢাকা,যশোর,সিলেট,দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮)
উত্তরঃ
যে সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিটের সাহায্যে তাতে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে তাকে কাউন্টার বলে।
উত্তরঃ
Y এর মান হবে-
Y= PQ + PQ এর সত্যক সারণী নিচে দেখানো হলো
উত্তরঃ
X এর মান হবে–
নিচে X এর সরলকৃত মান NOR গেইটের সাহায্যে বাস্তবায়ন করা হলো–
Question 57- (রাজশাহী,কুমিল্লা,চট্টগ্রাম,বরিশাল বোর্ড ২০১৮)
উত্তরঃ
যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বা সংকেতের মাধ্যমে বর্ণ, অঙ্ক ও সংখ্যাগুলোকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হয় তাই কোড।
উত্তরঃ
২ এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো-
i. ২ এর পরিপূরক গঠনের ফলে বিয়োগের কাজ যোগের মাধ্যমে করা যায়।
ii. ২ এর পরিপূরক গঠনে যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়।
iii. ২ এর পরিপূরক গঠন ব্যবহার করে সরল লজিক বর্তনী তৈরি করা যায়। যা দামে সস্তা ও দ্রুত গতিতে কাজ করে।
উত্তরঃ
X–এর মান (110110)2
(110110)2=(?)10
(110110)2=1×25+1×24+0×23+1×22+1×21+0×20=32+16+0+4+2+0=(54)10
Y এর মান (36)8
(36)8=(?)10
(36)8=3×81+6×80=24+6=(30)10
X ও Y এর মধ্যে X এর মান (54)10−(30)10=(24)10 বেশি
উত্তরঃ
উদ্দীপকে তিন জনের বইয়ের মোট দাম নিচে অকটেলে প্রকাশ করা হলো-
X=(110110)2=(54)10 [গ থেকে]
Y=(36)8=(30)10 [গ থেকে]
Z=(A9)16=(?)10
( A9)16=A×161+9×160
=10×16+9×1
=160+9
=(169)10
তিন জনের বইয়ের মোট দাম =(54)10+(30)10+(169)10=(253)10
অকটালে প্রকাশ :
অর্থাৎ তিন জনের বইয়ের মোট দাম অক্টালে হচ্ছে (375)8।
Question 58- (রাজশাহী,কুমিল্লা,চট্টগ্রাম,বরিশাল বোর্ড ২০১৮)
উত্তরঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় ব্যবহৃত কোন রাশির মান যদি শুধুমাত্র 0 বা 1 নির্দেশ করে তবে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলা হয়।
উত্তরঃ
ডিজিটাল সার্কিট দিয়ে তৈরি যন্ত্রপাতিকে ডিজিটাল ডিভাইস বলে। এনকোডার হচ্ছে এমন এক ধরনের লজিক সার্কিট, যা আমাদের ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে বিসিডি কোড, অ্যাঙ্কি, ইউনিকোড ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় বর্ণের এনকোডিং করার জন্য কী-বোর্ড, মাউস, বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসে এনকোডার ব্যবহৃত হয়। তাই এনকোডার ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
উত্তরঃ
শুধু মৌলিক গেইট ব্যবহার করে উদ্দীপকের সার্কিটটির সমতুল্য লজিক চিত্র নিচে বাস্তবায়ন করা হলো-
উত্তরঃ
উদ্দীপকে সার্কিটের Q এর সমীকরণের সরলীকরণ নিচে দেখানো হলো-
Question 59- (মাদ্রাসা বোর্ড -২০১৮)
মালিহা, ফারিহা ও সারাহ সংখ্যা পদ্ধতির ক্লাস শেষে মাঝে মধ্যে বন্ধুদের অবাক করতে বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির ব্যবহার প্রশ্নের উত্তর দেয়। গত ঈদে থ্রিপিচ কেনার পর বন্ধুরা দাম জিজ্ঞাসা করলে মালিহা বলল (101100100)2, ফারিহা বলল (756)8 এবং সারাহ বলল আমারটির দাম (4113)10।
উত্তরঃ
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশকে যে চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয় তাই Radix Point (র্যাডিক্স পয়েন্ট)।
উত্তরঃ
Question 60- (মাদ্রাসা বোর্ড-২০১৮)
উত্তরঃ
ফরাসী গণিতবিদ ডি-মরগ্যান বুলিয়ান অ্যালজেবরার ক্ষেত্রে দুটি বিশেষ সূত্র বা উপপাদ্য উদ্ভাবন করেন। এ সূত্র দুটিকে ডি-মরগ্যানের সূত্র বা উপপাদ্য বলে।
উত্তরঃ
উত্তরঃ
উদ্দীপকের সর্বশেষ লাইনটি হলো:
Question 61- (ঢাকা বোর্ড ২০১৭)
আইসিটি শিক্ষক একাদশ শ্রেণিতে সংখ্যা পদ্ধতি পড়াচ্ছিলেন। কিন্তু একজন ছাত্রের অমনোযোগিতার কারণে তিনি বিরক্ত হয়ে তার রোল নম্বর জিজ্ঞাসা করলেন। ছাত্র উত্তর দিল (31)10। তারপর শিক্ষক ছাত্রের গত শ্রেণির রোল জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দিল (15)10। তখন শিক্ষক তাকে বললেন, তোমার অমনোযোগিতার কারণে খারাপ ফল হয়েছে ।
উত্তরঃ
কোনো সংখ্যা পদ্ধতির বেস হচ্ছে ঐ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্নসমূহের মোট সংখ্যা।
উত্তরঃ
ইউনিকোডের পূর্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আলকানিউমেরিক্যাল কোডটি হলো অ্যাসকি (ASCII) কোড।
American Standard Code for Information Interchange এর সংক্ষিপ্ত রূপ ASCII বা অ্যাসকি। ১৯৬৫ সালে রবার্ট বিমার সাত বিটের অ্যাসকি কোড উদ্ভাবন করেন। অ্যাসকি একটি কোড, যা ৮টি বিট নিয়ে গঠিত হয়। এ কোডের মাধ্যমে
২৮ বা ২৫৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। বর্তমানে অ্যাসকি কোড বলতে ASCII-8 কেই বুঝায়।
Question 62- (ঢাকা বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
যোগ ও গুণের ক্ষেত্রে বুলিয়ান অ্যালজেবরা কতকগুলো নিয়ম মেনে চলে এই নিয়মগুলোই বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ ।
উত্তরঃ
যান্ত্রিক ভাষাকে মানুষের ভাষায় বোঝানোর উপযোগী লজিক সার্কিটটি হলো ডিকোডার ।
যে লজিক সার্কিট কোনো কোডকে ডিকোড করতে পারে তাকে ডিকোডার বলা হয়। এটি এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে। ডিকোডার ইনপুটের সংখ্যা n হলে তার আউটপুট সংখ্যা 2n হবে এবং আউটপুট লাইনে যেকোনো একটি আউটপুট 1 হলে বাকি সব আউটপুট 0 পাওয়া যাবে। আউটপুট অবস্থা সর্বদা ইনপুট অবস্থার উপর নির্ভরশীল ।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের লজিক সার্কিটের আউটপুট সমীকরণ নিচে সরলীকরণ করা হলো –
উত্তরঃ
NAND গেইটের গুরুত্ব : NAND গেইটকে সার্বজনীন বা ইউনিভার্সাল গেইট বলে। ‘সর্বজনীন গেইট দ্বারা যেকোনো মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) বাস্তবায়ন করা যায়। আবার মৌলিক গেইট দিয়ে যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা যায়। সুতরাং NAND গেইট দিয়ে যেকোনো লজিক সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় ।
Question 63- (রাজশাহী বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলো একটি মান তৈরি করেছে। এ মানই ইউনিকোড।
উত্তরঃ
1 + 1 = 1 এটি একটি লজিক্যাল বা যৌক্তিক যোগ যা OR(+) গেইট দ্বারা বাস্তবায়ন করা যায়। OR (+) গেইট ইনপুটগুলোর মধ্যে যে কোনো একটি ইনপুটের মান । হলেই আউটপুট 1 হয়। অপরদিকে 1 + 1 = 10 কারণ এটি বাইনারি যোগফল। পার্থক্য হলো দশমিক যোগে 1+1=2 হয়। এখানে দশমিক পদ্ধতির 2 এর সমান বাইনারি পদ্ধতির দুই (10) হয়েছে।
Question 64- (রাজশাহী বোর্ড ২০১৭)
আদনান জামী তার মামার কাছে (E)16, (7)8সংখ্যা দুটির যোগফল জানতে চাইল । মামা আদনান জামীকে যোগফল দেখলো এবং বললো কম্পিউটারের অভ্যন্তরে সমস্ত গাণিতিক কর্মকাণ্ড যেমন— যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ হয় একটি মাত্র অপারেশনের মাধ্যমে, তাছাড়া যোগের ক্ষেত্রে এক ধরনের সার্কিটও ব্যবহৃত হয়।
উত্তরঃ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোনো ভৌগোলিক দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হলো টেলিমেডিসিন।
উত্তরঃ
প্রেরক স্টেশনে প্রেরকের সাথে একটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় বলে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যয়বহুল। যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা ব্লক বা প্যাকেট আকারে ট্রান্সমিট করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে। এক একটি ব্লকে ৮০ থেকে ১৩২টি ক্যারেক্টার থাকে। এ পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপককে একই সময় ও গতিতে বজায় রাখতে হয়।
উত্তরঃ
মামার বলা সার্কিট হচ্ছে অ্যাডার। নিচে অ্যাডার দিয়ে সংবা দুটির যোগের প্রক্রিয়া দেখানো হলো-
প্রথম সংখ্যা (E)16 = (1110)2
দ্বিতীয় সংখ্যা (7)8 = (111)2
সংখ্যা দুটির যোগ প্রক্রিয়া হবে প্যারালাল বাইনারি অ্যাডার প্রক্রিয়ায়। অর্থাৎ
এখন প্রথম সংখ্যা (E)16=(1110)2
এর বিটগুলোকে যথাক্রমে A1 , A2, A3, A4
দ্বিতীয় সংখ্যা (7)8=(0111)2 এর বিটগুলেকে B1, B2, B3 , B4
ধরি। তাহলে নিচে অ্যাডার প্রক্রিয়াটি হবে-
∴(1110+0111)2=(10101)2
Question 65- (যশোর বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্ক ব্যবহার করে সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতিই সংখ্যা পদ্ধতি।
উত্তরঃ
পজিশনাল পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা যে প্রতীকগুলো দিয়ে প্রকাশ করা হয় সেই প্রতীকগুলোর সংখ্যার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে সংখ্যার মান কম বেশি হতে পারে। একটি সংখ্যার মান বের করার জন্য প্রয়োজন সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর নিজস্ব মান। সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি এবং অঙ্কগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান। এখানে (11)10 সংখ্যাটি দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি। এর ভিত্তি হচ্ছে 10। এ পদ্ধতিতে 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট 10 টি মৌলিক অঙ্ক এর মধ্যে রয়েছে। এজন্য (11)10 সংখ্যাটিকে পজিশনাল সংখ্যা বলা হয়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তনয় এর প্রাপ্ত নম্বর (4A)16 কে দশমিক পদ্ধতিতে রূপান্তর করতে হবে।
∴ (4A)16 =4×161+A×160
=4×16+10×1
=64+10
=(74)10
:: তনয় এর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে দশমিক পদ্ধতির সংখ্যায় প্রাপ্ত নম্বর হবে (74)10
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিফার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে প্রাপ্ত নম্বর (531)8 দেওয়া আছে (1100011)2
এখন,
(531)8 = (?)10
(531)8 =5×82+3 ×81+1×80
=5×64+3×8+1×1
=320+24 +1
=(345)10
(1100011)2 =(?)
∴ (1100011)2 = 1×26+1×25+0×24+0×23+0×22+1×21+1×20
=64+32+0+0+0+2+1
=(99)10
শিফার প্রাপ্ত নম্বর হতে কম আছে =(345)10−(99)10
=(246)10
Question 66- (যশোর বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
Mathematics of logic নামক যন্ত্রে যে যুক্তির ধারণা পাওয়া যায় তার উপর ভিত্তি করে নতুন অ্যালজেবরা উদ্ভাবিত হয়। জর্জ বুলের নামানুসারে ঐ অ্যালজেবরার নামকরণ করা হয় বুলিয়ান অ্যালজেবরা।
উত্তরঃ
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগন্যাল উপযোগী কারণ ডিজিটাল সিগন্যালে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো সহজেই ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে প্রকাশ করা যায়। কম্পিউটার ডিজাইনে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ডিজিটাল যন্ত্রাংশ বাইনারি মোডে কাজ করে। ডিজিটাল সিগন্যালে একটি সুইচ অন, অফ হতে পারে অথবা সিগনাল উপস্থিত, অনুপস্থিত থাকতে পারে। এগুলোর সাথে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মিল রয়েছে। তাই কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগন্যাল উপযোগী।
Question 67- (কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭)
২০১৬ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবজি চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষক আলীর (৪২)১০ হেক্টর জমির আলু, জামিলের (২৫৩.২)৮ হেক্টর জমির সরিষা, হাসিবের (E৩.২)১৬ হেক্টর জমির টমেটো এবং জলিলের (১১০)২ হেক্টর জমির শসা নষ্ট হয়েছে।
উত্তরঃ
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য যে কোড ব্যবহার করা হয়, তাই BCD (Binary Coded Decimal) কোড।
উত্তরঃ
5D হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা। কারণ সংখ্যাটিতে ২টি অঙ্ক ও বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে, যথা 5 এবং D। চার প্রকার সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে কেবল হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতেই এরূপ অঙ্ক ও বর্ণ ব্যবহৃত হয় । হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে দশমিক পদ্ধতির ১০টি অঙ্ক এবং ইংরেজি বড় হাতের প্রথম ৬টি বর্ণ ব্যবহার করা হয় । তাই এটি স্পষ্ট যে, 5D হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতির সংখ্যা।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের অনুযায়ী আলীর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে= (৪২)১০
জলিলের নষ্ট হয়েছে (১১০)২=(৬)১০
(৪২)১০ এর আট বিশিষ্ট বাইনারি মান = ০০১০১০১০
(৬)১০ এর আট বিট বিশিষ্ট বাইনারি মান = ০০০০০১১০
১ এর বাইনারি পরিপূরক = ১১১১১০০১
+১
———————————————————————————————————
২ এর বাইনারি পরিপূরক = ১১১১১০১০
আলীর জমি (৪২)১০ = ০০১০১০১০
জলিলের জমি (−৬)১০ = ১১১১১০১০
————————————————————————————————————
(৩৬)১০ = ১ ০০১০০১০০
অতিরিক্ত ক্যারি বিট বিবেচনা করা হয় না।
∴ জলিলের জমির ফসল নষ্টের পরিমাণ =(৩৬)১০
উত্তরঃ
উদ্দীপকের জামিলের মোট জমি ক্ষতি হয়েছে-
(২৫৩.২)৮ হেক্টর .
বা, (১৭১.২৫)১০ হেক্টর
আবার,
হাসিবের মোট জমি ক্ষতি হয়েছে
(E৩.২)১৬ হেক্টর
বা, (২২৭.১২৫)১০ হেক্টর
জামিলের চেয়ে হাসিবের জমির ক্ষতি হয়েছে
=(২২৭.১২৫−১৭১.২৫)১০
=(৫৫.৮৭৫)১০
রাফ :
(২৫৩.২)৮ =২×৮২+৫×৮১+৩×৮০+২×৮-১
= ২ × ৬৪+৫×৮+৩×১+ ×২/৮
= ১২৮+৪০+৩+০.২৫
=(১৭১.২৫)১০
(E৩.২)১৬=
F ×১৬১+৩×১৬০+২×১৬-১
= ১৪×১৬+৩×১ + ২/১৬
= ২২৪+৩+০.২৫
= (২২৭.১২৫)১০
সুতরাং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে জামিলের থেকে হাসিবের (৫৫.৮৭৫)১০ হেক্টর জমি বেশি ক্ষতি হয়েছে।
Question 68- (কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
রেজিস্টার হলো মাইক্রো প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতিসম্পন্ন মেমোরি যা কতকগুলো বিট ধারণ করে থাকে।
উত্তরঃ
যৌক্তিক পূরণের ক্ষেত্রে Output হয় Input এর যৌক্তিক বিপরীত। অর্থাৎ Input এ যে মান দেওয়া হয় Output এ তার ঠিক বিপরীত মান পাওয়া যায়। 0 এবং 1 একটি অপরটির পূরক। তাই
Input 0 (মিথ্যা) হলে, Output 1 (সত্য) হবে। আবার Input 1 (সত্য) হলে, Output 0 (মিথ্যা) হবে।
Question 69- (চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭)
স্নেহা ও মিতা টেস্টের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করছিল। স্নেহা বলল, আমি পরীক্ষায় ICT- তে (4C)16 পেয়েছি। মিতা বলল আমি ICT- তে নম্বর (103)8 পেয়েছি। ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া তাদের ভাই বুঝলনা কে বেশি নম্বর পেয়েছে।
উত্তরঃ
কোনো সংখ্যা পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা বোঝানোর জন্য সর্বমোট যতগুলো চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়, সেটি হচ্ছে সংখ্যাটির ভিত্তি বা বেজ।
উত্তরঃ
এটি একটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির যোগ। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে 5+3=8 হয়। কিন্তু অক্টাল পদ্ধতিতে যোগ করলে 5+3=10 হয়। অক্টাল পদ্ধতিতে 7 এর পরবর্তী সংখ্যা 10 বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির সমতুল্য মান 8।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের আলোকে ৮টি বিট রেজিস্টার ব্যবহার করে ২-এর পরিপূরক পদ্ধতিতে উদ্দীপকের স্নেহা ও মিতার প্রাপ্ত নম্বরের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
(4C) = (76)10
(103)8= (67)10
∴ (76)10 – (67)10
= (76)10 + (-67)10
∴ (76)10= (01001100)
Question 70- (চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭)
অস্ত্রবিদ জিসান সাহেবের কক্ষটি খুবই নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রাখতে হয়। তাই তার রুমে ঢোকার জন্য ২টি দরজা পার হতে হয় । প্রথম দরজায় ২টি সুইচের মধ্যে যে কেনো একটি অন করলে দরজা খুলে যায়। যদি ২টি সুইচ একসাথে অন বা অফ করা হয়, তবে খোলে না। কিন্তু দ্বিতীয় দরজার ক্ষেত্রে প্রথম দরজার বিপরীত ব্যবস্থা নিতে হয় ।
উত্তরঃ
লজিক গেইট হলো এক প্রকার ডিজিটাল সার্কিট যা যুক্তিমূলক সংকেতের প্রবাহ নির্বাহ করে ।
উত্তরঃ
ইউনিকোড বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের জন্য আশীর্বাদ কারণ এর মাধ্যমে বিশ্বের সকল ভাষা ব্যবহার করেই কম্পিউটারে প্রসেস বা প্রক্রিয়াকরণ করা যায়। তাই একে ইউনিভার্সাল কোড বা ইউনিকোড বলা হয় । ইউনিকোড হলো ১৬ বিটের কোড। অর্থাৎ এই কোডের মাধ্যমে ২১৬=৬৫৫৩৬টি ভিন্ন অক্ষর প্রকাশ করা যায়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের প্রথম দরজাটি X-OR গেইটকে নির্দেশ করে। উদ্দীপকে ২টি সুইচের কথা বলা হয়েছে। এ ২টি সুইচের ইনপুট সংকেত A ও B এবং আউটপুট সংকেত X হলে-
উত্তরঃ
উদ্দীপকে দ্বিতীয় দরজার ক্ষেত্রে প্রথম দরজার বিপরীত ব্যবস্থা নিতে হয়। অর্থাৎ X-OR গেইটে বিপরীত X-NOR গেইট নির্দেশ করে। দুটি সুইচের ইনপুট সংকেত A ও B এবং আউটপুট সংকেত X হলে বুলিয়ান সমীকরণ হবে-
X-NOR গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুটের থাকে। 2 ইনপুট X-NOR গেইটের ক্ষেত্রে বিজোড় সংখ্যক 1 হলে আউটপুট 0 হবে অন্যথায় আউটপুট 1 হবে। যা উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম দরজার বিপরীত অর্থাৎ X-NOR গেইটের সত্যক সারণিকে সমর্থন করে।
Question 71- (সিলেট বোর্ড ২০১৭)
আইসিটি শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, কম্পিউটার A-কে সরাসরি বুঝতে পারে না, বরং একে একটি লজিক সার্কিটের সাহায্যে ৮-বিটের বিশেষ সংকেতে রূপান্তর করে বুঝে থাকে। তিনি আরও বললেন, উক্ত সংকেতায়ন পদ্ধতিতে বাংলা কম্পিউটারকে বোঝানো যায় না। এজন্য ভিন্ন একটি সংকেতায়ন পদ্ধতির প্রয়োজন হয়।
উত্তরঃ
ডিকোডার এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র বা ডিভাইস যা কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
উত্তরঃ
মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট। একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ডেটার এক বিট ধারণ করতে পারে। একাধিক ফ্লিপ- ফ্লপের সমষ্টি-ই হলো রেজিস্টার। রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ ফ্লপ-এর গেইট এর সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যেখানে প্রত্যেকটি ফ্লিপ ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট ধারণ করে থাকে। -বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এজন্য চারবিট রেজিস্টারে চারটি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে।
উত্তরঃ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আইসিটি শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের বললেন যে, কম্পিউটার A-কে সরাসরি বুঝতে পারে না বরং একে একটি লজিক সার্কিটের সাহায্যে ৮-বিটের বিশেষ সংকেতে রূপান্তর করে বুঝে থাকে এই পদ্ধতিটি হলো এনকোডার:
এনকোডার এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে। একটি এনকোডারে সর্বোচ্চ 2″ সংখ্যক ইনপুট এবং n সংখ্যক আউটপুট থাকে।
নিচে ৮টি ইনপুট থেকে ৩টি আউটপুট পাওয়া যায় এমন ধরনের একটি অকটাল এনকোডারের লজিক সার্কিট, সত্যক সারণি দেওয়া হলো-
বুলিয়ান সমীকরণ:
A=4+D5+D6+D7
B=D2+D3+D6+D7
C=D1+D3+D5+D7D
লজিক সার্কিটঃ
Question 72- (সিলেট বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
কোনো বাইনারি সংখ্যাকে ১ এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে বাইনারি সংখ্যা গঠন করা হয় তাকে ২ এর পরিপূরক বলে।
উত্তরঃ
বাইনারি যোগের ক্ষেত্রে ১+১ ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে ১+১=০ এবং ক্যারি ১ হয়। বুলিয়ান যোগের ক্ষেত্রে ১ + ১ = ১ হয়। এতে বুঝা যাচ্ছে যে, বুলিয়ান যোগ (+) চিহ্ন সাধারণত + চিহ্নকে বুঝায় না। বুলিয়ান যোগকে বলা হয় Logical Addition অথবা Logical OR operation। এ থেকে বুঝা যায় যে, বাইনারি ১ + ১ ও বুলিয়ান ১+১ এক নয়।
Question 73- (বরিশাল বোর্ড ২০১৭)
আতিক সাহেব তার শয়ন কক্ষে ফ্যান চালানোর জন্য বেড সুইচ ব্যবহার করেন। ঠাণ্ডা অনুভূত হওয়ায় তিনি বেড সুইচটি অফ করলেন। ফলে ফ্যানটি বন্ধ হয়ে গেল। ফ্যানের একটি সুইচ খোলা থাকা সত্ত্বেও ফ্যানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি চিন্তা করলেন এটি কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃ
যে ডিজিটাল বর্তনীর মাধ্যমে আনকোডেড ডেটাকে কোডেড ডেটায় পরিণত করা হয় তাই এনকোডার।
উত্তরঃ
OR একটি মৌলিক গেইট। OR গেইট দুই বা ততোধিক বাইনারি সংখ্যার লজিক্যাল যোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। পক্ষান্তরে, XOR গেইট বিশেষ গেইট। X-OR গেইটের মাধ্যমে বিভিন্ন বিট তুলনা করে আউটপুট সংকেত পাওয়া যায়। সার্কিট ছোট করার কাজে X-OR গেইট ব্যবহৃত হয়। XOR গেইট দুই বা ততোধিক বাইনারি সংখ্যার যোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এজন্য OR গেইটের তুলনায় -XOR গেইটের সুবিধা বেশি।
উত্তরঃ
আতিক সাহেবের শয়ন কক্ষের ফ্যানের মূল সুইচের পাশাপাশি বেড সুইচ ছিল, তিনি বেড সুইচ অফ করলে ফ্যানটিও বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বর্তনীতে সুইচদ্বয় শ্রেণি বা সিরিজে যুক্ত ছিল, যা AND গেইটকে নির্দেশ করে। AND গেইটকে দুই বা ততোধিক ইনপুট দিলে একটি আউটপুট পাওয়া যায়। AND গেইটে সকল ইনপুট । হলে কেবল আউটপুট । হবে। অন্যথায় আউটপুট হবে। দুইটি ইনপুট A ও B হলে আউটপুট Y = AB হবে।
চিত্রে AND গেইটের সমকক্ষ একটি সার্কিট দেখানো হলো। এ সার্কিটে সুইচ দুটি A ও B এর যেকোনো একটি সুইচ অফ করলে ফ্যানটি বন্ধ হয়ে যাবে। কেবলমাত্র দুটি সুইচ অন করলে ফ্যান চলবে।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের সার্কিটটির যে পরিবর্তন করলে একটি সুইচ বন্ধ করলেও ফ্যানটি বন্ধ হবে না তা নিচে বর্ণনা করা হলো:
উদ্দীপকের সার্কিটটি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, এটি একটি OR গেইটের সার্কিট। OR গেইটে যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট । হবে। চিত্রের সার্কিটে যখন বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে তখন সুইচ বন্ধ পেলে আরেকটি সুইচ দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে। তখন B সুইচটি On পেলে ফ্যানটি চলবে।
উদ্দীপকের আলোকে আতিক সাহেবের শয়ন কক্ষের ফ্যানে AND গেইটের সার্কিটের পরিবর্তে OR গেইটের সার্কিট ব্যবহার করলে যে কোনো একটি সুইচ বন্ধ করলেও ফ্যানটি বন্ধ হবে না।
Question 74- (বরিশাল বোর্ড ২০১৭)
আসিফের বাবা ICT বিষয়ের শিক্ষক। তিনি আসিফের কাজে ICT বিষয়ের প্রাপ্ত ফলাফল জানতে চাইলে সে বলল অর্ধ-বার্ষিক (112)8 এবং বার্ষিক পরীক্ষায় (7F)16 নম্বর পেয়েছে।
উত্তরঃ
রেজিস্টার হলো মাইক্রো প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ গতিসম্পন্ন সার্কিট যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
উত্তরঃ
(14)10 এর সমকক্ষ BCD সংখ্যা হচ্ছে:
(14)10 =(00010100)
(14)10 এর সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা হচ্ছে:
(14)10= (1110)2
অর্থাৎ বলা যায় যে, BCD কোড এবং বাইনারি সংখ্যার মধ্যে BCD তে বেশি বিট লাগে।
উত্তরঃ
আসিফের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর (112)88 হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় প্রকাশ করা হলো-(112)8= (?)16
Question 75- (দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭)
উত্তরঃ
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্নকে পৃথক পৃথকভাবে সিপিইউকে বোঝানোর জন্য বাইনারি বিট অর্থাৎ ০ বা ১ রূপান্তর করে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে অদ্বিতীয় সংকেত তৈরি করা হয়। এই অদ্বিতীয় সংকেত হলো কম্পিউটার কোড ।
উত্তরঃ
2 এর পরিপূরক সংখ্যার জন্য গাণিতিক সরল বর্তনী প্রয়োজন। সরল বর্তনী দামে সস্তা এবং দ্রুতগতিতে কাজ করে। 2 এর পরিপূরক গঠনে যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা হয়। তাই আধুনিক কম্পিউটারে 2-এর পরিপূরক গঠনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম ।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের লজিক সার্কিটটির সমীকরণ নিচে দেওয়া হলো :
Question 76- (মাদ্রাসা বোর্ড-২০১৭)
উত্তরঃ
যেসব গেইট অন্য কোনো গেইটের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় তাই মৌলিক গেইট।
উত্তরঃ
যে গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটগুলো বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সর্বজনীন গেইট বলে। NOR গেইট দিয়ে মৌলিক অর্থাৎ AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়। এজন্য NOR গেইটকে সর্বজনীন গেইট বলা হয়।
উত্তরঃ
Question 77- (মাদ্রাসা বোর্ড-২০১৭)
উত্তরঃ
কোনো সংখ্যা পদ্ধতি লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সমস্ত মৌলিক চিহ্ন বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহারা করা হয় তাকে ডিজিট বা অংক বলে।
উত্তরঃ
BCD এর পূর্ণরূপ হলো- Binary Coded Decimal। দশমিক সংখ্যা প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাম করলে তাকে বিসিডি কোড বলে। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা প্রকাশের নিমিত্তে এ কোড ব্যবহার হয়। দশমিক, বাইনারি, অক্টাল, হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতির মতো বিসিডি কোনো সংখ্যা পদ্ধতি নয়। এটা আসলে দশমিক পদ্ধতি যার প্রতিটি অংক তার সমতুল্য বাইনারিতে এনকোডেড করা হয়।
Question 78- (ঢাকা বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
একটি দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অঙ্ককে আলাদাভাবে চারটি বাইনারি বিট দিয়ে প্রকাশ করাকে BCD কোড বলে।
উত্তরঃ
1+1=1 এটি একটি লজিক্যাল বা যৌক্তিক যোগ যা OR(+) গেইট দ্বারা বাস্তবায়ন করা যায়। OR(+) গেইট ইনপুটগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি ইনপুটের মান 1 হলেই আউটপুট 1 হয়।
উত্তরঃ
উদ্দীপকের ফাংশনটির আলোকে সত্যক সারণি দেখানো হলো:
Question 79- (রাজশাহী বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বা সংকেতের মাধ্যমে বর্ণ, অঙ্ক ও সংখ্যাগুলোকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করার ব্যবস্থাা করা হয় তাই কোড।
উত্তরঃ
বিয়োগের কাজ যোগের মাধ্যমে করা সম্ভব। ২ এর পরিপূরক গঠনে যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়। বাইনারি সংখ্যার ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করলে ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে যেকোনো ঋণাত্মক সংখ্যার ২ এর পরিপূরক তৈরি করে সমকক্ষ ৮টি বাইনারি সংখ্যার সমান করতে হবে। অতঃপর সংখ্যাদ্বয়ের পূড়ান্ত অবস্থা যোগ করে ফলাফল নির্ণয় করা হয়। তাই আধুনিক কম্পিউটারে ২ এর পরিপূরক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
Question 80- (যশোর বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
এনকোডার হলো এমন এক ধরনের সার্কিট যা আলাদা আলাদা লাইনের সিগন্যালকে এনকোড করে আউটপুট হিসেবে বাইনারি সংখ্যা প্রদান করে।
Question 81- (কুমিল্লা বোর্ড-২০১৬)
ব্লক চিত্রগুলো লক্ষ কর এবং নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও:
ব্লক চিত্র-১
ব্লক চিত্র-২
উত্তরঃ
রেজিস্টার হলো মাইক্রো প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতিসম্পন্ন মেমোরি।
উত্তরঃ
ডিজিটাল ডিভাইসে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির গুরুত্ব অনেক বেশি। বাইনারি সংখ্যায় ব্যবহৃত অঙ্কগুলো (0 ও 1) সহজেই ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে প্রকাশ করা যায়। বৈদ্যুতিক সিগন্যাল চালু থাকলে অন এবং বন্ধ থাকলে অফ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। বাইনারি সিস্টেমে দুটি অবস্থা থাকার কারণে ইলেকট্রনিক্স সার্কিট ডিজাইন করা সহজ হয়। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যতীত অন্যান্য পদ্ধতিতে সার্কিট ডিজাইন তুলনামূলক জটিল ও ব্যয়বহুল।
উত্তরঃ
DÏxc‡K ewY©Z eøK wPÎ-1 Øviv eøK wPÎ-2 Gi jwRK eZ©bx A¼b Kiv hvq| wb‡P eøK wPÎ-1 Gi nvd A¨vWvi Øviv eøK wPÎ-2 Gi dzj A¨vWvi ev¯Íevqb Kiv n‡jv-
প্রথম হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের ক্ষেত্রে–
S1=AꚚB এবং S2=S1ꚚCi এবং
C1=A.B C2=S1.Ci
ফুল অ্যাডারের ইনপুট A, B ও Ci এবং আউটপুট যোগফল S ও ক্যারি Co হলে ফুল অ্যাডারের ক্ষেত্রে,
S = S1+S2 Co=C1 +C2
= S1+ S1ꚚCi =AB+S1.Ci
= S1ꚚCi = AꚚBꚚCi =AB+(AꚚB)Ci

চিত্রঃ হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল অ্যাডারের সার্কিট বাস্তবায়ন
Question 82- (চট্টগ্রাম বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
ASCII এর পূর্ণরূপ হলো- American Standard Code for Information Interchange
উত্তরঃ
(267)10 একটি দশমিক সংখ্যা যা কম্পিউটার সরাসরি গ্রহণ করে না। কারণ কম্পিউটার কাজ করে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে। অর্থাৎ ডিজিটাল সিগন্যালে ০ কে OFF এবং 1 কে ON হিসেবে বিবেচনা করলে সহজে বোধগম্য হয় বিধায় কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বাইনারি সংকেত ০ ও 1 কে খুব সহজেই ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল বুঝতে পারে। কিন্তু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের সাহায্যে দশমিক সংখ্যার দশটি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9) ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা প্রকাশ করা খুব কঠিন ও ব্যায়বহুল। তাই কম্পিউটার দশমিক সংখ্যাকে সরাসরি গ্রহণ করে না কিন্তু বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবর্তিত রূপে প্রকাশ পায়।
উত্তরঃ
Question 83- (সিলেট বোর্ড-২০১৬)
নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:
উত্তরঃ
কোনো ব্যক্তির কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই হলো প্লেজিয়ারিজম।
উত্তরঃ
Question 84- (বরিশাল বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
যেসব ডিজিটিাল সার্কিট যুক্তিমূলক সংকেতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে সে সব সার্কিটই লজিক গেইট।
Question 85- (দিনাজপুর বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
একটি দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অঙ্কককে আলাদাভাবে চারটি বাইনারি বিট দিয়ে প্রকাশ করাই বিসিডি কোড।
Question 86- (মাদ্রাসা বোর্ড-২০১৬)
উত্তরঃ
সংখ্যাকে প্রকাশ করার এবং গণনা করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
উত্তরঃ
দৈনন্দিন গাণিতিক কাজে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর জন্য সংখ্যার পূর্বে +/– চিহ্ন দিতে হয়। যখন কোনো সংখ্যার পূর্বে ধনাত্মক (+) বা ঋণাত্মক (–) চিহ্ন থাকে তখন সেই সংখ্যাকে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা (Signed Number) বলা হয়।
উত্তরঃ
চিত্র-১ এর লজিক সার্কিটটির আউটপুট নি¤েœ সরলীকরণ করা হলো-
F=ABC+C+BC
=ABC+C(1+B)
=ABC+C
=C(AB+1)=C
উত্তরঃ